
নতুন ওয়েবসাইটে এসইও কিভাবে করবেন
যখন আপনি কোনো কিছু গুগলে সার্চ করেন, প্রথম কয়েকটা রেজাল্ট আপনি দেখতে বা ক্লিক করতে পছন্দ করেন, তাই না? এসইও করলে আপনার ওয়েবসাইটও সেই প্রথম কয়েকটা রেজাল্টের মধ্যে আসতে পারে। এতে আপনার ওয়েবসাইটে বেশি ভিজিটর আসবে এবং আপনি যা করতে চান (যেমন পণ্য বিক্রি বা তথ্য ছড়ানো), তা সহজ হবে।
অনলাইনে কোন পন্য বা সার্ভিস বিক্রির জন্য একটি ওয়েব সাইট তৈরির জন্য এর মার্কেটিং করতে হয়। এই মার্কেটিংটি যদি ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে করা হয় তখন সেটিকে আমরা ডিজিটাল মার্কেটিং বলি। কোন ব্যবসার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের অন্যতম শক্তিশালী কৌশল হল এসইও। কেননা, বর্তমান সময়ে যেকোনো তথ্য খুঁজতে মানুষ সার্চ ইঞ্জিনকে বেশি ব্যবহার করেন।
আসুন ওয়েবসাইটে SEO কি ও কেন দরকারি সেটা জেনে নেই।
ওয়েবসাইট এসইও কি এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন মানে হলো এমন একটি পদ্ধতি, যা সার্চ ইঞ্জিন (গুগল, বিং ইত্যাদি) থেকে একটি ওয়েবসাইট ট্রাফিকের আনার জন্য ওয়েবসাইটটি অপ্টিমাইজ করার প্রক্রিয়া। এটি সার্চ ইঞ্জিনকে আপনার ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট বুঝতে সাহায্য করে এবং ব্যবহারকারীদের চাহিদা অনুযায়ী আপনার সাইটটি অপ্টিমাইজেশন করে।
সহজভাবে এসইও কিভাবে কাজ করে —
-
-
- গুগল বা অন্য সার্চ ইঞ্জিন আপনার ওয়েবসাইট স্ক্যান করে দেখে আপনার কন্টেন্ট কী সম্পর্কে।
- তারা দেখে আপনার ওয়েবসাইটের তথ্য বা লেখা সার্চ করা বিষয়ের সাথে মিলে কি না।
- আপনার ওয়েবসাইট যদি ভালোভাবে সাজানো থাকে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দেয়, তাহলে এটি সার্চ রেজাল্টে উপরের দিকে আসে।
-
সঠিকভাবে SEO করলে ওয়েবসাইটে বিনামূল্যে অনেক বেশি ট্রাফিক পাওয়া যায়। এটি বিজ্ঞাপনের চেয়ে কার্যকর এবং দীর্ঘস্থায়ী। পেইড বিজ্ঞাপন বন্ধ করার সাথে সাথে বিক্রি বা ফলাফল বন্ধ হয়ে যায়, কিন্তু একবার ওয়েবসাইট ভালো র্যাঙ্ক অর্জন করলে, তা দীর্ঘ সময় ধরে অর্গানিক ট্রাফিক এনে দিতে পারে।
অর্থাৎ কোন সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর পেতে চাইলে, ওয়েবসাইটটি এসইও করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি নিজে এই কাজটি করতে পারেন অথবা কোন এজেন্সি থেকে এসইও সার্ভিস নিতে পারেন। অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইটটির এসইও মার্কেটিং করতে যারা এই বিষয়ে এক্সপার্ট তাদের সাহায্য নিতে পারেন।
তবে উভয় ক্ষেত্রে আপনাকে জানতে হবে ওয়েবসাইটে এসইও কিভাবে করতে হয় সেটা সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। আসুন এই বিষয়ে বিস্তারিত জানি-
নতুন ওয়েব সাইটে SEO করার পদ্ধতি
এখানে ধাপে ধাপে SEO করার পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হলো।
কিওয়ার্ড রিসার্চ এবং নির্বাচন
কিওয়ার্ড রিসার্চ হলো SEO এর প্রথম এবং অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। সঠিক কিওয়ার্ড নির্বাচন করলে আপনার সাইট সহজেই সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ (SERP) এর প্রথম পৃষ্ঠায় আসবে পারে এবং এর মাধ্যমে পন্য বা সেবা বিক্রয় সম্ভবপর হবে। আবার ভুল কিওয়ার্ড রিসার্চ করা হলে সেটি র্যাঙ্কিং নাও করতে পারে, আবার পারলেও সেটি থেকে বিক্রয় নাও হতে পারে।
কিওয়ার্ড রিসার্চ করার পদ্ধতি
এক্ষেত্রে আপনি গুগল কিওয়ার্ড প্ল্যানার (এটি গুগলের একটি ফ্রি টুল) উবার সাজেস্ট, ahrefs এর মত প্রিমিয়াম টুলস অথবা কিওয়ার্ড সারফার এর মত ফ্রি টুলস ব্যবহার করতে পারেন। এই টুলসগুলো আপনাকে কিওয়ার্ড আইডিয়া এবং তাদের সার্চ ভলিউম দেখাতে সাহায্য করবে।
Ahrefs এবং Moz এর মত পেইড টুলস সমূহ আপনাকে কিওয়ার্ড রিসার্চ, কিওয়ার্ড ডিফিকাল্টি এবং প্রতিযোগিদের কিওয়ার্ড খুঁজে পেতে সাহায্য করবে।
তবে একটি নতুন ওয়েবসাইটের জন্য প্রথমদিকে লং-টেইল বা চার বা তার অধিক শব্দ যুক্ত কিওয়ার্ড ব্যবহার করুন। লং-টেইল কিওয়ার্ড সাধারণত কম প্রতিযোগিতামূলক হয় এবং নির্দিষ্ট টার্গেট অডিয়েন্সকে আকর্ষণ করে।
অনপেজ অপ্টিমাইজেশন
অনপেজ অপ্টিমাইজেশন এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের পেজগুলোকে সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব করা হয়। এটি আপনার সাইটের কন্টেন্ট এবং HTML কোডের অপ্টিমাইজেশন নিশ্চিত করে।
অনপেজ অপ্টিমাইজেশন করার পদ্ধতি
-
-
- টাইটেল ট্যাগ: প্রতিটি পেজের জন্য একটি অনন্য এবং বর্ণনামূলক শিরোনাম তৈরি করুন।
- মেটা ট্যাগ: প্রতিটি পেজের জন্য মেটা ডেসক্রিপশন এবং মেটা কীওয়ার্ড যোগ করুন। মেটা ডেসক্রিপশনটি সংক্ষিপ্ত এবং পৃষ্ঠার মূল বিষয়বস্তু বর্ণনা করবে।
- হেডিং ট্যাগ: আপনার কন্টেন্টকে H1, H2, H3 ইত্যাদি হেডিং ট্যাগ ব্যবহার করে সুসংগঠিত করুন।
- ইমেজ অপ্টিমাইজেশন: ছবি যোগ করার সময় আল্ট ট্যাগ ব্যবহার করুন এবং ছবির সাইজ কম রাখুন, যাতে পেজ লোড টাইম কম হয়।
- ইন্টারনাল লিঙ্কিং: আপনার ওয়েবসাইটের অন্যান্য পৃষ্ঠার সাথে সম্পর্কিত লিঙ্ক দিন। এটি সার্চ ইঞ্জিন এবং ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ নেভিগেশন নিশ্চিত করে।
-
কন্টেন্ট ক্রিয়েশন এবং অপ্টিমাইজেশন
ভালো কন্টেন্ট তৈরি করা মানেই ব্যবহারকারী এবং সার্চ ইঞ্জিন উভয়ের জন্যই সুবিধাজনক। কন্টেন্ট হলো SEO এর মূল ভিত্তি।
ভালো কন্টেন্ট তৈরির পদ্ধতি
-
-
- ইউনিক এবং মূল্যবান কন্টেন্ট: আপনার কন্টেন্ট অবশ্যই ইউনিক হতে হবে এবং ব্যবহারকারীর জন্য মূল্যবান তথ্য প্রদান করতে হবে।
- লং ফর্ম কন্টেন্ট: গবেষণা অনুযায়ী, লং ফর্ম কন্টেন্ট (১৫০০+ শব্দ) সার্চ ইঞ্জিনে ভালো র্যাঙ্ক করে।
- কিওয়ার্ড অপ্টিমাইজড কন্টেন্ট: সঠিকভাবে কিওয়ার্ড এবং লং-টেইল কিওয়ার্ড কন্টেন্টে ব্যবহার করুন।
-
অফপেজ অপ্টিমাইজেশন
অফপেজ অপ্টিমাইজেশন এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের বাইরের কার্যক্রমগুলো নিয়ন্ত্রণ করা হয়, যা সার্চ ইঞ্জিন র্যাঙ্কিং উন্নত করতে সাহায্য করে।
অফপেজ অপ্টিমাইজেশন করার পদ্ধতি
-
-
- লিংক বিল্ডিং: ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করুন, যা ডোমেইন অথরিটি বৃদ্ধি করে। ব্যাকলিঙ্ক হলো অন্য ওয়েবসাইট থেকে আপনার ওয়েবসাইটের লিঙ্ক।
- সোশ্যাল সিগন্যাল: সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে ট্রাফিক আনুন।
- গেস্ট ব্লগিং: অন্যান্য ব্লগে গেস্ট পোস্ট লিখুন এবং লিঙ্ক ব্যাক পান।
-
মোবাইল ফ্রেন্ডলি এবং রেসপন্সিভ ডিজাইন
আজকের দিনে, মোবাইল ফ্রেন্ডলি এবং রেসপন্সিভ ডিজাইন থাকা একটি ওয়েবসাইটের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গুগল মোবাইল ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইটগুলোকে র্যাঙ্কিং এ অগ্রাধিকার দেয়।
মোবাইল ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট তৈরির পদ্ধতি
-
-
- রেসপন্সিভ ডিজাইন: আপনার ওয়েবসাইটের ডিজাইন রেসপন্সিভ হতে হবে, যাতে এটি সকল ডিভাইসে (মোবাইল, ট্যাবলেট, ডেস্কটপ) সমানভাবে প্রদর্শিত হয়।
- পেজ লোড স্পিড: আপনার ওয়েবসাইট দ্রুত লোড হওয়া উচিত।
- ইউএক্স: ব্যবহারকারীর জন্য সহজ এবং প্রাঞ্জল ন্যাভিগেশন নিশ্চিত করুন।
-
ইউজার এক্সপেরিয়েন্স (ইউএক্স)
ইউজার এক্সপেরিয়েন্স এর উন্নতি আপনার ওয়েবসাইটের র্যাঙ্কিং বৃদ্ধিতে সহায়ক। ব্যবহারকারীরা যদি আপনার সাইটে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, তাহলে তাদের এনগেজমেন্ট এবং কনভারশন বাড়বে।
ভালো ইউএক্স তৈরির পদ্ধতি
-
-
- সহজ ন্যাভিগেশন: ব্যবহারকারীরা সহজে সাইটে নেভিগেট করতে পারেন।
- পেজ লোড স্পিড: আপনার ওয়েবসাইট দ্রুত লোড হওয়া উচিত।
- ক্লিয়ার কল টু অ্যাকশন (CTA): ব্যবহারকারীদের জন্য স্পষ্ট এবং কার্যকরী নির্দেশনা দিন।
-
সাইটম্যাপ এবং robots.txt
সাইটম্যাপ এবং robots.txt ফাইলগুলি সার্চ ইঞ্জিন ক্রাউলারদের আপনার সাইট ক্রাউল করতে সাহায্য করে।
সাইটম্যাপ তৈরি করার পদ্ধতি
এক্সএমএল সাইটম্যাপ মূলত সার্চ ইঞ্জিনের জন্য তৈরি করা হয়, যাতে তারা আপনার ওয়েবসাইটের প্রতিটি পৃষ্ঠা সহজে ক্রাউল এবং ইনডেক্স করতে পারে। এটি একটি কোডেড ফাইল যা আপনার ওয়েবসাইটের URL গুলি এবং তাদের সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করে।
সাইটম্যাপ হলো একটি ফাইল যা আপনার ওয়েবসাইটের সব পৃষ্ঠার তালিকা তৈরি করে এবং সার্চ ইঞ্জিন এবং ব্যবহারকারীদের জন্য নেভিগেশন সহজ করে। সাইটম্যাপ সাধারণত দুই প্রকার হয়ে থাকে: এক্সএমএল (XML) সাইটম্যাপ এবং এইচটিএমএল (HTML) সাইটম্যাপ।
এক্সএমএল সাইটম্যাপ তৈরির পদ্ধতি
এক্সএমএল সাইটম্যাপ মূলত সার্চ ইঞ্জিনের জন্য তৈরি করা হয়, যাতে তারা আপনার ওয়েবসাইটের প্রতিটি পৃষ্ঠা সহজে ক্রাউল এবং ইনডেক্স করতে পারে।
এক্সএমএল সাইটম্যাপ তৈরির ধাপসমূহ
-
-
- টুলস ব্যবহার করুন: অনেক ফ্রি এবং পেইড টুলস আছে যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সএমএল সাইটম্যাপ তৈরি করতে পারে, যেমন Yoast SEO (ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন), Google XML Sitemaps (ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন), Screaming Frog SEO Spider (ডেস্কটপ টুল), এবং XML-sitemaps.com (অনলাইন জেনারেটর)।
- কন্টেন্ট স্ট্রাকচার: এক্সএমএল সাইটম্যাপ ফাইলে আপনার ওয়েবসাইটের প্রতিটি পৃষ্ঠার URL, তাদের সর্বশেষ আপডেটের তারিখ, এবং আপডেটের ফ্রিকোয়েন্সি যুক্ত করুন।
- আপলোড এবং সাবমিট: আপনার এক্সএমএল সাইটম্যাপ ফাইলটি আপনার ওয়েবসাইটের রুট ডিরেক্টরিতে আপলোড করুন (যেমন http://www.example.com/sitemap.xml) এবং এটি গুগল সার্চ কনসোলে সাবমিট করুন।
-
robots.txt ফাইল
robots.txt ফাইল হলো একটি টেক্সট ফাইল যা ওয়েবসাইটের রুট ডিরেক্টরিতে রাখা হয় এবং সার্চ ইঞ্জিনের ক্রাউলারদের নির্দেশনা দেয় কোন পৃষ্ঠাগুলি ক্রাউল করতে হবে এবং কোন পৃষ্ঠাগুলি ক্রাউল করতে হবে না।
robots.txt ফাইলের উদাহরণ:
User-agent: *
Disallow: /private/
Allow: /public/
Sitemap: http://www.example.com/sitemap.xml
এসইও টুলস ব্যবহার
বিভিন্ন এসইও টুলস ব্যবহার করে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের SEO পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ এবং উন্নত করতে পারেন।
কিছু কার্যকরী এসইও টুলস
-
-
- গুগল অ্যানালিটিক্স: ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বিশ্লেষণ করতে।
- গুগল সার্চ কনসোল: সার্চ পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ এবং ইনডেক্সিং সমস্যাগুলি সমাধান করতে।
- Ahrefs: ব্যাকলিঙ্ক এবং কিওয়ার্ড গবেষণা করতে।
- Moz: সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন বিশ্লেষণ করতে।
-
নিয়মিত অডিট এবং আপডেট
SEO একটি চলমান প্রক্রিয়া, তাই নিয়মিত ওয়েবসাইট অডিট এবং কন্টেন্ট আপডেট করা প্রয়োজন।
SEO অডিট করার ধাপসমূহ:
-
-
- টেকনিক্যাল SEO: ওয়েবসাইটের টেকনিক্যাল দিকগুলি পরীক্ষা করুন, যেমন সাইট স্পিড, মেটা ট্যাগ, এবং সাইটম্যাপ।
- কন্টেন্ট অডিট: আপনার ওয়েবসাইটের কন্টেন্টের মান পরীক্ষা করুন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আপডেট করুন। ইউনিক এবং তথ্যবহুল কন্টেন্ট তৈরি করুন যা ব্যবহারকারীদের জন্য মূল্যবান।
- ব্যাকলিঙ্ক অডিট: আপনার ওয়েবসাইটের ব্যাকলিঙ্কগুলি পরীক্ষা করুন এবং খারাপ ব্যাকলিঙ্কগুলি অপসারণ করুন। ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করুন যা আপনার ডোমেইন অথরিটি বৃদ্ধি করবে।
-
উপসংহার
SEO একটি নতুন ওয়েবসাইটের সাফল্যের জন্য অপরিহার্য। সঠিকভাবে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা, অনপেজ এবং অফপেজ অপ্টিমাইজেশন করা, মোবাইল ফ্রেন্ডলি ডিজাইন তৈরি করা, এবং ইউজার এক্সপেরিয়েন্স উন্নত করা হলে আপনার ওয়েবসাইট সহজেই সার্চ ইঞ্জিন এ উচ্চ র্যাঙ্কিং পেতে পারে। নিয়মিত অডিট এবং আপডেট এর মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াকে অব্যাহত রাখা দরকার।
SEO করার এই প্রক্রিয়া গুলো মেনে চললে আপনার নতুন ওয়েবসাইটের সাফল্যের সম্ভাবনা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।
আবার সার্চ ইঞ্জিনে উচ্চ র্যাঙ্ক একটি ওয়েবসাইটকে আরো বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে, ও ব্র্যান্ড অথোরিটি বাড়ায়।
