১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার সম্পর্কে নতুন তথ্য প্রকাশ

১৯ তম শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার বা বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন সার্কুলার আগস্টের শেষে প্রকাশ হতে পারে বলে জানিয়েছেন এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) সূত্রে জানা গেছে, বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আগে কিছু কাজ সম্পন্ন করতে হবে, যার মধ্যে নীতিমালা সংশোধন এবং জনপ্রশাসন ও আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত গ্রহণ অন্যতম।

১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন কী?

১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন মূলত নিয়মিত বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগের জন্য নিবন্ধন প্রক্রিয়ার ১৯তম ধাপ। সহজভাবে বলতে গেলে, এটি নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার ১৯তম পর্ব, যা শেষ পর্যন্ত প্রার্থীদের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের যোগ্যতা নির্ধারণ করে।

এই নিয়োগ পেতে প্রার্থীকে প্রথমে আবেদন, এরপর লিখিত পরীক্ষা এবং ভাইবা পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তীর্ণ হতে হয়। এরপর প্রার্থীকে চূড়ান্ত নির্বাচন করা হয়ে থাকে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনটিআরসিএর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে প্রায় এক থেকে দুই মাস সময় লাগতে পারে। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ে ফাইল প্রক্রিয়াকরণে সময় লাগে। তবু আমরা দ্রুত নীতিমালা সংশোধনের জন্য তাগাদা দিচ্ছি, যাতে পরিপত্র জারি করা যায়। পরিপত্র জারি হওয়ার আগে ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ সম্ভব নয়।

নতুন নীতিমালায় শিক্ষক নিবন্ধনের গণবিজ্ঞপ্তিতে বয়স সীমা আর আলাদাভাবে গণনা করা হবে না। এর অর্থ, এখন থেকে প্রার্থীর বয়স গণনা করা হবে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকে, এবং গণবিজ্ঞপ্তিতে বয়সের কোনো পৃথক হিসাব হবে না।

গত রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সভায় বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন বিষয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের তিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দেশের অন্যান্য নিয়োগে যেমন বিসিএস-এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকেই বয়স গণনা করা হয়, তেমনি এবার এনটিআরসিএকেও সেই নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। আগে আলাদা বয়স হিসাবের কারণে অনেক শিক্ষক নিবন্ধন সনদ থাকা সত্ত্বেও গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করতে পারতেন না।

আরও পড়ুন  নিজের বিবাহ বার্ষিকী ফেসবুক স্ট্যাটাস ও ক্যাপশন ২০২৬

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা বলেন, একজন প্রার্থী কখনো কখনো নিবন্ধন সনদ অর্জনে কয়েক বছর ব্যয় করেন। ফলে গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করার সময় তার বয়স সীমা পূরণ না হলে সুযোগ হারিয়ে ফেলেন। এজন্য নতুন নীতিমালায় প্রার্থীর বয়স বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সময় নির্ধারণ করা হবে এবং গণবিজ্ঞপ্তিতে আলাদা করে বয়স গণনা হবে না।

তিনি আরও জানান, সংশোধিত নীতিমালা বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে এবং আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত নেওয়ার পর এটি প্রকাশিত হবে। এর আগে যদি কোনো বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়, তা নতুন নীতিমালার আওতায় থাকবে না।

We will be happy to hear your thoughts

Leave a reply

Amar Sikkha
Logo