![জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন [বাংলা] সাজেশন 1 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন](https://amarsikkha.com/wp-content/uploads/2025/04/জাতীয়-বিশ্ববিদ্যালয়-ভর্তি-পরীক্ষার-প্রশ্ন.jpg)
এখানে শুধু মাত্র জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার বাংলা প্রশ্ন দেওয়া হয়েছে আস্তে আস্তে সকল বিষয়ে এবং সকল বিভাগের জন্য প্রশ্ন দেওয়া হবে। জেসকল শিক্ষার্থীরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিবে তারা প্রতিদিন আমাদের ওয়েবসাইটে এসে সকল বিষয়ে বিনামূল্যে সাজেশন পেয়ে যাবে, এর জন্য কোনো টাকা দেওয়ার প্রয়োজন পরবে না।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার বাংলা প্রশ্ন
• প্রমাণ হইয়া গেছে, আমি কেহই নই।’ উক্তিটি অনুপমের।
• ‘বিলাসী‘ গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয়- ভারতী পত্রিকায়।
• ‘আমার পথ‘ প্রবন্ধে নজরুল ইসলাম বলেছেন-সত্যকে পাওয়া যায়- ভুলের মধ্য দিয়ে।
• যে কাজ মনুষ্যত্ববোধ ও মানব-মর্যাদাকে ক্ষুন্ন করে ভিক্ষা প্রদান করা।
• ‘মানব-ধর্মই সবচেয়ে বড় ধর্ম।’ উক্তিটি- কাজী নজরুল ইসলামের।
• ‘রেইনকোট‘ গল্পের অধিকাংশ ঘটনা যার জবানিতে লিখা- নুরুল হুদার।
• ‘গৃহ’ প্রবন্ধে হাঁফ ছেড়ে বাঁচা বলতে বোঝানো হয়েছে- ক্লান্তি থেকে মুক্তি পাওয়া।
• ‘আহ্বান‘ গল্পের বুড়ি গল্পকথককে ডাকতো- গোপাল নামে।
• মোপাসাঁ যে ভাষায় লিখতেন- ফরাসি।
• ‘লালসালু‘ উপন্যাসে গ্রামে স্কুল প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল- আক্কাস।
• সোনার তরী কবিতায় ‘সোনার ধান’ কথাটি ব্যবহৃত হয়েছে- দু’বার।
• কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ- ব্যথার দান।
• ‘এক পয়সার বাঁশী কাব্যের রচয়িতা- জসীমউদ্দীন।
• মাঘের সন্ন্যাসী রিক্ত হস্তে চলে যায়- পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে।
• ‘আঠারো বছর বয়স থরোথরো কাঁপে- বেদনায়।
• মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম ছোটগল্প- অতসীমামী।
• ‘রেইনকোট’ গল্পে যে অঞ্চলের মুক্তিযুদ্ধের কথা বলা হয়েছে- ঢাকা।
• আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত ‘চিলেকোঠার সেপাই’ যে ধরনের উপন্যাস- রাজনৈতিক।
• ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯‘ কবিতায় সালাম উল্লেখ আছে- ৪ বার।
• কুহেলি শব্দের অর্থ কুয়াশা।
• ছন্দের জাদুকর বলা হয়- সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে।
• কৃষ্ণচূড়া আমাদের- রং- চেতনারই।
• লঙ্কাপুরীতে মেঘনাদেয়া যেজ্ঞাগারের নাম- নিকুভিলা যজ্ঞাগার।
• জীবনানন্দ দাশের কাব্যগ্রন্থ- ধূসর পাণ্ডুলিপি।
• মুসলিম জাগরণের কবি- ফররুখ আহমেদ।
• সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক।
• ‘বেওয়ারিশ’ যে সমাস- বহুব্রীহি।
• সম্মুখ স্বরধ্বনি-এ।
• ‘যদি বল, আসব। -কী ধরনের বাক্য?- কার্যকারণসূচক।
• ‘হাতির ডাক’ কে এককথায় বলে- বৃংহিত।
• ‘ওস্তাদ’ কোন ভাষার শব্দ? ফার্সি। ‘যে কথা একবার জমিয়ে বলা গিয়েছে, তাহার
• ফেনাইয়া ব্যাখ্যা করে চলে না’। চলিত রীতিতে রচিত এ বাক্যটিতে মোট কতটি ভুল আছে?- চারটি।
• ‘পুণ্যভূমি’ সমাসবদ্ধ শব্দটি কোন সমাসের দৃষ্টান্ত?-কর্মধারয়।
• ‘বিষণ্ণ’ শব্দের বিপরীত শব্দ-প্রসন্ন।
• অব্যয়ীভাব সমাস– আমরণ, উপকণ্ঠ।
• ‘আগমন’ যে অর্থে উপসর্গে ব্যবহৃত হয়েছে- বিপরীত অর্থে। • পরে একবার এসো- বাক্যটি ভাব বিশেষণ।
• বশিরকে যেতে হবে- কর্তৃকারকে ২য়া বিভক্তি।
• শুদ্ধ শব্দগুচ্ছ হলো- সচ্ছল, কৌতূহল, নৈর্ব্যত।
• পাছে লোক কিছু বলে -বাক্যে পাছে হলো- অনন্বয়ী অব্যয়।
• সমধাতুজ কর্মের উদাহরণ- খুব এক ঘুম ঘুমিয়েছি।
• ‘না রফিক, শামীম বাড়িতে নেই।’ নেতিবাচক বাক্যটির অস্তিবাচক রূপ- হ্যাঁ, রফিক, শামীম বাড়ির বাইরে আছে।
• ‘আকাংখা, সায়ত্বশাসন, মর্মুযু বানান আয়ত্ব করা কঠিন নয়।’-এ বাক্যে ভুল বানানোর শব্দ-সংখ্যা-৪।
• ‘Blockade’-এর পরিভাষা- অবরোধ।
• Treasurer’-এর পরিভাষা- কোষাধ্যক্ষ।
• ‘Colleague’-এর পরিভাষা-সহকর্মী।
• বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রা, অর্ধমাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা যথাক্রমে-৩২, ৮, ১০।
• ‘তলোয়ার’ শব্দটি ‘তরোয়াল’ রূপে উচ্চারিত হলে তাকে বলে-ধ্বনি বিপর্যয়।
• অধীনতা। • ‘স্বাধীনতা’ শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ-স্ব
• ‘দুর্নীতি’, ‘দুর্নাম’ ও ‘দুর্নিবার’ শব্দগুলোতে ণ-ত্ব বিধান। প্রযোজ্য নয়- সমাসবদ্ধ শব্দ বলে।
• ‘হরতাল’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?- গুজরাটি।
• ‘গৌরব’-এর বিপরীত শব্দ-লাঘব।
• ‘বালতি’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে?- পর্তুগিজ।
• ‘আঁটসাঁট’-এর বিপরীতার্থক শব্দ-ঢলঢলে।
• ‘যিনি বিদ্যা লাভ করেছেন’ একশব্দে হবে- কৃতবিদ্য।
• ‘জিজীবিষা’র প্রসারিত রূপ- বেঁচে থাকার ইচ্ছা।
• ‘কলুর বলদ’ এ বাগধারার অর্থ কী?- একটানা খাটনি।
• ‘ডামাডোল’ বাগধারাটির অর্থ হচ্ছে- গোলযোগ।
• ধরনা > ধন্না-এটি যে ‘ধরনের ধ্বনি-পরিবর্তনের উদাহরণ- সমীভবন।
