
প্রিয় শিক্ষার্থীরা তোমরা যারা HSC বাংলা ২য় পত্র বই পেতে চাও তোমাদের জন্য এখানে আমরা pdf বই দিয়েছি তোমরা সহজেই এখান থেকে ডাউনলোড করে নিজেদের কাছে সংরক্ষণ করতে পারবে।
এছাড়াও এই বই একবার ডাউনলোড করে পড়ে তোমাদের যখন ইচ্ছা পড়তে পারবে। তোমাদের কাছে যদি pdf রিডার অ্যাপ না থাকে তাহলে এখান থেকে pdf রিডার অ্যাপ ডাউনলোড করে নিবে তাহলেই বই পড়তে পারবে।
HSC বাংলা ২য় পত্র বই PDF Download
এই বইটি আমি তোমাদের বিনামূল্যে দিচ্ছি তবে এর স্বত্বাধিকারী আমি নই, তোমরা যদি বইটি কিনতে চাও তাহলে লাইব্রেরীতে গিয়ে বইটি কিনতে পারবে। সেই সাথে আমি তোমাদের অক্ষরপত্র বই কেনার জন্য সাজেশন দিতে পারি।
১. বাংলা উচ্চারণের যেকোনো পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখো।
ক. শব্দের শুরুতে যদি অ থাকে এবং তারপর যদি ই, ঈ, উ, উ, ক্ষ, জ্ঞ, য-ফলা বা ঋ-কার যুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকে তাহলে অ-এর উচ্চারণ ও-কারের মতো হয়। যেমন: অতি, (ওতি), নদী (নোদি), তবু (তোরু), ময়ূর (মোয়ুর), পক্ষ (পোক্কো), যজ্ঞ (জোগোঁ), বন্য (বোন্নো), মসৃণ (মোসৃন্)।
খ. শব্দের আদ্য ব্যঞ্জনবর্ণে ব-ফলা সংযুক্ত হলে সে ব-এর কোনো উচ্চারণ হয় না। যেমন: স্বাধিকার, (শাধিকার), ত্বক (তক্), ধ্বনি (ধোনি), স্বাগত (শাগতো) ইত্যাদি।
গ. শব্দের মধ্যে কিংবা শেষে ব-ফলা থাকলে সংযুক্ত বর্ণের উচ্চারণদ্বিত্ব ঘটে থাকে। যেমন: বিশ্ব (বিশো), বিদ্বান (বিদ্দান), পক্ক (পক্কো) ইত্যাদি।
ঘ. শব্দের আদ্য ব্যঞ্জনবর্ণে ম-ফলা যুক্ত হলে সাধারণত তার কোনো উচ্চারণ হয় না। তবে ম-ফলা আশ্রয়ী ব্যঞ্জনের স্বরধ্বনিকে সানুনাসিক করে। যেমন: স্মরণ, (শরোন), শ্মশান, (শশানু), স্মারক (শাঁরোক্) ইত্যাদি।
ঙ. শব্দের মধ্যে বা শেষে ম-ফলা যুক্ত হলে বর্ণের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়ে থাকে এবং ম-ফলা আশ্রয়ী ব্যঞ্জনের স্বরধ্বনিকে সানুনাসিক করে। যেমন: ছদ্ম (ছদ্দোঁ), পদ্ম (পদোঁ), রশ্মি (রোশি) ইত্যাদি।
২. ‘অ’ ধ্বনি উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখো
উত্তর: উদাহরণসহ বাংলা ‘অ’ ধ্বনি উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম নিচে দেওয়া হলো:
ক. শব্দের আদিতে যদি ‘অ’ থাকে এবং তারপর ই-কার বা ঈ-কার কিংবা উ-কার বা উ-কার থাকে তবে সে অ-এর উচ্চারণ ও-কারের মতো হয়। যেমন: অতীত (ওতিত্), নদী (নোদি), অনুরোধ (ওনুরোধ), ময়ূর (মোয়ুর্) ইত্যাদি।
খ. শব্দের আদ্য অ-এর পরে য-ফলাযুক্ত ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে সে ক্ষেত্রে অ-এর উচ্চারণ সাধারণত ও-কারের মতো হয়।
যেমন: অন্য (ওনো), অত্যাচার (ওত্তাচার), কন্যা (কোন্না) ইত্যাদি।
গ. আদ্য অ-এর পর ‘ক্ষ’ থাকলে সে অ-এর উচ্চারণ সাধারণত ও-কারের মতো হয়ে থাকে। যেমন: অক্ষ (ওক্কো), লক্ষ্মণ (লোক্সোন), রক্ষা (রোক্কা) ইত্যাদি।
ঘ. বাংলা ভাষায় বেশ কিছু সমাসবদ্ধ তৎসম শব্দের মধ্য ‘অ’ ও-কারান্ত রূপে উচ্চারিত হয়। যেমন: পথচারী (পথোচারি), বনবাসী (বনোবাশি), রণতূর্য (রনোতুরজো) ইত্যাদি।
ঙ. শব্দান্তে যুক্তবর্ণ থাকলে অন্তিম ‘অ’ ও-কারের মতো উচ্চারিত হয়। যেমন: শক্ত (শক্তো), কর্ম (করমো), প্রাপ্ত (প্রাপ্তো) ইত্যাদি।
৩. ‘এ’ ধ্বনি উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম উদাহরণসহ লেখো
উত্তর: ‘এ’ ধ্বনি উচ্চারণের পাঁচটি নিয়ম নিচে দেওয়া হলো:
ক. শব্দের অন্ত্যে ‘এ’ সংবৃত অর্থাৎ অবিকৃত ‘এ’ হয়। যেমন: পথে, উত্তর: ঘাটে। 1.
খ. একাক্ষর সর্বনাম পদের ‘এ’ সংবৃত হয়। যেমন: কে, সে, যে।
গ. ‘ই’ বা ‘উ’-কার পরে থাকলে ‘এ’ সংবৃত হয়। যেমন: দেখি, রেণু।
ঘ. দুই অক্ষর বিশিষ্ট সর্বনাম বা অব্যয় পদে ‘এ’ ধ্বনির বিবৃত উচ্চারণ অর্থাৎ ‘অ্যা’ হয়। যেমন: এত (অ্যাতো), কেন (ক্যানো)।
ঙ. খাঁটি বাংলা শব্দে ‘এ’ ধ্বনির বিবৃত উচ্চারণ হয়। যেমন: খেস্টা (খ্যাস্টা), তেলাপোকা (ত্যালাপোকা)।
