
হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট বর্তমানে একটি সাধারণ বিষয়। আধুনিক এই যুগে খাবারের ভেজাল থাকার কারণে ঘরে ঘরে এখন শ্বাসকষ্ট রোগী দেখা যায়। হাঁপানি থেকে মুক্তির উপায় না থাকলেও এটি কমানো সম্ভব।
হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট নিরাময়ের অন্যতম প্রাচীন টোটকা হল মধু। বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজ রাতে ঘুমোবার আগে এক চামচ মধুর সঙ্গে দারচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে শ্বাসকষ্ট কমে যায়। সর্দি-কাশিতেও অনেক আরাম পাওয়া যায়।
হাঁপানি থেকে মুক্তির উপায়
১. এক কাপ দুধের মধ্যে ৪ কোয়া রসুন ফেলে ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে খেয়ে নিন। ফুসফুসের যে কোনো রোগ তা খুবই উপকারী।
২. পাতিলেবুর রসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এক গ্লাস পানির মধ্যে একটা গোটা পাতিলেবুর রস আর সামান্য চিনি দিয়ে প্রতিদিন খেলে হাঁপানির কষ্ট অনেকটাই কমে যাবে।
৩. পেঁয়াজ আমাদের নাসাপথকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। শ্বাসকষ্ট দূর করতে কাটা পেঁয়াজ খেয়ে দেখতে পারেন।
৪. হাঁপানি সমস্যায় ল্যাভেন্ডার তেল খুবই কার্যকরী। ১ কাপ গরম পানির মধ্যে ৫-৬ ফোঁটা ল্যাভেন্ডার তেল ফেলে ধীরে ধীরে ভেপার (ভাপ) নিন। দ্রুত উপকার পাবেন।
৫. হাঁপানি সমস্যায় খেতে পারেন মধু। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ১ চামচ মধুর সঙ্গে সামান্য দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে নিয়ে খেতে পারলে শ্বাসকষ্ট অনেকটাই কমে যাবে। হাঁপানি ছাড়া সর্দি-কাশিতেও এই মিশ্রণ খুবই উপকারী।
৬. এক টুকরো আদা পানিতে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে নিন। এর পর ঠাণ্ডা করে খেয়ে নিন। শুধু হাঁপানি নয়, সর্দি-কাশির সমস্যাও উপকার পাবেন।
৭. পরাগরেণু, পশম, ছত্রাক বা ঘরের ধুলো হাঁপানির জন্য উদ্দীপক হতে পারে। এ ধরনের উপাদান এড়িয়ে চলুন।
৮. প্রতিদিন নিয়মিত হালকা ব্যায়াম বা যোগাসন শ্বাসপ্রশ্বাসকে উন্নত করে। তবে ভারী ব্যায়াম থেকে বিরত থাকুন।
৯. শীতল ও আর্দ্র আবহাওয়া হাঁপানির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ঘরে একটি হিউমিডিফায়ার বা ডিহিউমিডিফায়ার ব্যবহার করুন।
১০. মানসিক চাপ বা উদ্বেগ হাঁপানির ট্রিগার হতে পারে। মেডিটেশন বা শ্বাস-প্রশ্বাসের নিয়মিত অনুশীলন মানসিক প্রশান্তি দেয়।
