![লাল নীল দীপাবলি [PDF] বই ডাউনলোড - হুমায়ুন আজাদ 2026 1 লাল নীল দীপাবলি pdf](https://amarsikkha.com/wp-content/uploads/2024/08/লাল-নীল-দীপাবলি-pdf.png)
আমার সবচেয়ে প্রিয় লেখক হুমায়ুন আজাদের লাল নীল দীপাবলি pdf বই যারা খুঁজছেন তাদের জন্য আমাদের এই পোস্ট। আপনি যদি এই পোস্ট পরে থাকেন এর মানে হলো আপ্নিও আমার মতো হুমায়ুন আজাদের ভক্ত।
বিশের দশকের সেরা লেখকদের মধ্যে হুমায়ুন আহমেদ অন্যতম। তার লেখা অনেক গল্প ও উপন্যাস প্রত্যেক পাঠকের মনে জায়গা করে নিয়েছে। হুমায়ুন আহমেদের বিখ্যাত কিছু গল্পের মধ্যে রয়েছে হিমু সিরিজ, মিসির আলি সিরিজ, ময়ূরাক্ষী, দেবি ইত্যাদি।
লাল নীল দীপাবলি pdf
লাল নীল দীপাবলি বইটিতে মূলত আমাদের বাঙলা সাহিত্যের শুরু ৯৫০ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত ৩ যুগের কথা বলা হয়েছে। চর্যাপদ থেকে বাঙলা সাহিত্যের আগমন, মাঝখানের অন্ধকার যুগ, তারপর মঙ্গলকাব্য, বৈষ্ণব পদাবলী, মুসলিম কবিদের যুগ, আধুনিক যুগ এমন করে একের পর এক সিঁড়ির ধাপ পার করে আপনাকে নিয়ে আসবে বাঙলা সাহিত্যের বর্তমান যুগে। সাহিত্যের প্রতি যাদের টান আছে তাদের জন্য নিঃসন্দেহে বইটি বাধ্যতামূলক পড়া উচিত। যদিও বইটি সাহিত্যের জীবনী কিন্তু সেই সাহিত্য আলোচনা করতে গিয়ে মূলত সাহিত্যের সাহিত্যিকগণ দের কথাই ফুটে উঠেছে। ফলে আপনি একটা গভীর জীবনীর স্বাদ পাবেন।
আরও পড়ুনঃ জনপ্রিয় সব মজার গল্পের বই pdf
বইটিতে লেখক বাঙলা শব্দটার ব্যাখায় গল্পটা দিয়েছেন এইভাবেঃ “এ দেশের নামের কাহিনী বলেছেন সম্রাট আকবারের সভার এক রত্ন আবুল ফজল। তিনি বলেছেন ‘বঙ্গ’ শব্দের সাথে ‘আল্’ মিলিত হয়ে এদেশের নাম হয়েছে ‘বাঙ্গাল’।এদেশে আছে খেতের পর খেত, এক খেতের সাথে অপর খেত মিলে না যায়,তার জন্এয থাকে আল।দেশে আল আ বাঁধ বেশি ছিল বলেই এদেশের নাম হয়েছে বাঙ্গালা বা বাঙলা।” নিজের মাতৃভাষার ইতিহাস জানতে পড়তে হবে এই বই।
এছাড়াও হাজার বছর আগে আমাদের প্রথম প্রধান কবি, কাহ্নপাদ, বলেছিলেন : নগর বাহিরে ডোম্বি তোহোরি কুড়িআ। তাঁর মতো কবিতা লিখেছিলেন আরো অনেক কবি। তাঁদের নামগুলো আজ রহস্যের মতো লাগে : লুইপা, কুক্কুরীপা, বিরুআপা, ভুসুকুপা, শবরপার মতো সুদূর রহস্যময় ওই কবিদের নাম। তারপর কেটে গেছে হাজার বছর, দেখা দিয়েছেন অজস্র কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, নাট্যকার, গল্পকার। তাঁরা সবাই মিলে সৃষ্টি করেছেন আমাদের অসাধারণ বাঙলা সাহিত্য। বাঙলা সাহিত্য চিরকাল একরকম থাকে নি, কালে কালে বদল ঘটেছে তার রূপের, তার হৃদয়ের। সৃষ্টি হয়েছে নতুন নতুন সৌন্দর্য। মধ্যযুগে কবিরা লিখেছেন পদাবলি, লিখেছেন মঙ্গলকাব্য। উনিশশতকে বাঙলা সাহিত্য হয়ে ওঠে অপরূপ অভিনব। তখন কবিতায় ভরপুর বাঙলা সাহিত্যে দেখা দেয়। গদ্য, বাঙলা সাহিত্য হয়ে ওঠে ব্যাপক ও বিশ্বসাহিত্য।
বিশশতকের বাঙলা সাহিত্যের শোভার কোনো শেষ নেই। বাঙলা সাহিত্যের অনেক ইতিহাস লেখা হয়েছে, আর কবি হুমায়ুন আজাদ বাঙলা সাহিত্য নিয়ে লিখেছেন লাল নীল দীপাবলি বা বাঙলা সাহিত্যের জীবনী, যা শুধু বাঙলা সাহিত্যের ইতিহাস নয়, এটি নিজেই এক সাহিত্য সৃষ্টি। কবি হুমায়ুন আজাদ হাজার বছরের বাঙলা সাহিত্যকে তুলে ধরেছেন কবিতার মতো, জ্বেলে দিয়েছেন বাঙলা সাহিত্যের নানান রঙের দীপাবলি। এ-বই কিশোরকিশোরীদের তরুণতরুণীদের জন্যে লেখা, তারা সুখ পেয়ে আসছে এ-বই পড়ে, জানতে পারছে তাদের সাহিত্যের ইতিহাস; এবং এ-বই সুখ দিয়ে আসছে বড়োদেরও। লাল নীল দীপাবলি বা বাঙলা সাহিত্যের জীবনী এমন বই, যার সঙ্গী হ’তে পারে ছোটোরা, বড়োরা, যারা ভালোবাসে বাঙলা সাহিত্যকে। বাঙলার প্রতিটি ঘরে আলো দিতে পারে। এ-বই।

[…] ৪। আগে প্রতিভাবানেরা বিদেশ যেতো; এখন প্রতিভাবানেরা নিয়মিত বিদেশ যায়। – হুমায়ূন আজাদ। […]