
প্রিয় শিক্ষার্থীরা তোমাদের জন্য আজকে নিয়ে আসলাম রেইনকোট গল্পের mcq বা রেইনকোট গল্পের এমসিকিউ উত্তর। রেইনকোট গল্পটি এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
‘রেইনকোট’ গল্পটি প্রকাশিত হয় ১৯৯৫ সালে। পরে এটি লেখকের সর্বশেষ গল্পগ্রন্থ ‘জাল স্বপ্ন স্বপ্নের জাল’ (১৯৯৭) গ্রন্থে সংকলিত হয়। এ গল্পের পাঠ গ্রহণ করা হয়েছে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচনাসমগ্র ১ থেকে। মুক্তিযুদ্ধের সমকার ঢাকার পরিস্থিতি নিয়ে গল্পটি রচিত।
এক নজরে রেইনকোট গল্পের mcq
১। ‘রেইনকোট’ গল্পের কথক —– নুরুল হুদা।
২। ‘ রেইনকোট’ গল্পে উল্লিখিত জেনারেল স্টেটমেন্টটি হলো ——“শনিতে সাত মঙ্গলে তিন, আর সব দিন দিন”
৩। ‘রেইনকোট’ গল্পে স্টেটমেন্টের স্পেসিফিক ক্ল্যাসিফিকেশনগুলো হল ——“মঙ্গলে ভোররাতে হইল শুরু, তিনদিন মেঘের শুরুগুরু। বুধের সকালে নামল জল, বিকালে মেঘ কয় এবার চল। বৃহস্পতি শুক্র কিছু বাদ নাই
৪। ফুটফাট বন্ধ কয়দিন—— “অন্তত তিনদিন।
৮। মিলিটারির ভয়ে নুরুল হুদা কোন দু’আ পড়ছিল—— আল্লাহুম্মা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজ জোয়ালেমিন।
৯। মিলিটারির ভয়ে গল্পের নুরুল হুদা কী মুখস্থ করেছে——-অনেক সুরা।
১০। রাস্তায় বেরুলে নুরুল হুদা ঠোঁটের ওপর সবসময় কী রেডি রাখে ——- পাঁচ কালেমা।
১১। দুটো ছিটকিনি, একটা কিল এবং কাঠের ডাশা খুলে দরজার কপাট ফাঁক করতেই ঘরে ঢোকে পড়ল কে——- প্রিন্সিপ্যালের পিওন।(ইসহাক)
১২। কলেজের সামনের দেওয়াল ঘেঁষে কোনটি অবস্থিত——— ইলেকট্রিক ট্র্যান্সফর্মার।
১৩। মাঠ পেরিয়ে একটু বাঁ দিকে———— প্রিন্সিপ্যালের কোয়ার্টার।
১৪। প্রিনসিপ্যালের কোয়ার্টারের সঙ্গে কোনটির অবস্থান ——-মিলিটারি ক্যাম্প।
১৫। কোনটিকে মিলিটারি ক্যাম্প করা হয়েছে—– কলেজের জিমন্যাশিয়ামকে।
Google News: Amar Sikkha
রেইনকোট গল্পের mcq উত্তর
১৭। আব্বুকে ছোট মামার মতো লাগছে” কার উক্তি——- নুরুল হুদার মেয়ের।
১৮। “এগুলো হলো পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা।” এখানে “এগুলো” দ্বারা বুঝানো হয়েছে —-শহিদ মিনারকে।
১৯। নুরুল হুদাকে ডাকার পর ইসহাক কোন প্রফেসরের বাড়ির দিকে যাবে———-জিওগ্রাফির প্রফেসর।
২১। মিলিটারির প্রাদুর্ভাবের পর থেকে কাকে দেখে সবাই তটস্থ ——-ইসহাককে।
২৩। বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগে গুলির আওয়াজ আসছিল কোন দিক থেকে ——–মিরপুর ব্রিজের দিক থেকে।
২৪। রেডিও টেলিভিশনে হরদম কী বলছে—— সিচুয়েশন ন্যাল।
২৫। কত তারিখ মগবাজারের দুই কামরার ফ্ল্যাট থেকে মিন্টু চলে গেছে—– জুনের ২৩ তারিখ।
২৬। “ভাবি, আপনার ভাইকে দেখছি না।” উক্তিটি ——–পাশের ফ্ল্যাটের গোলগাল মুখের মহিলার।
২৭। মিলিটারি লাগার পর থেকে নুরুল হুদারা কয়বার বাসা পরিবর্তন করেছে——- চারবার।
২৮। কত তারিখে নুরুল হুদা বাড়ি শিফট করল ———জুলাইয়ের ১ তারিখ।
৩০। কারা নৌকা দিয়ে বিল আর ধানখেতের এদিকে আসে—– স্টেনগানওয়ালা ছোকরার দল।
৩২। মিন্টু যেখানে গেছে তার খবর জানে কারা- ——নুরুল হুদা ও তার বউ।
৩৩। কার শ্বশুর সর্দার গোছের রাজাকার- —–ওয়েলডিং ওয়ার্কশপের মালিক।
৩৪ । কীসের সামনে দাঁড়িয়ে নিজের নতুনরূপে নুরুল হুদা ভ্যাবাচ্যাকা খায়——-ড্রেসিং টেবিলের।
৪০। কোনটি বেয়ে পানি গড়িয়ে পড়লে কয়েক ফোঁটা সে চেটে দেখে ——টুপির বারান্দা।
৪১। কোন বৃষ্টিতে বেশ শীত-শীত ভাব—–শেষ হেমন্তের বৃষ্টিতে।
৪২। বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে নুরুল হুদাকে কোনদিকে তাকাতে হয়—— উত্তরে।
৪৪। কে একটু বাচাল টাইপের———- দোকানদার ছেলেটা।
রেইনকোট গল্পের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন
৪৫। স্টেট বাসের রং কেমন ছিল——- লাল।
৪৬। বাসে কতগুলো সিট খালি ছিল——- অর্ধেকের বেশি।
৪৭। নুরুল হুদাকে ভয় পেয়ে কারা কেটে পড়েছে ——-চোর, ছ্যাচোর, পকেটমার।
৪৮। বেশ কয়েকজন মানুষ কোন বাসস্টপেজে ঝিরঝিরে বৃষ্টিতে দাড়িয়ে অপেক্ষা করছিল——আসাদ গেট বাস স্টপেজে।
৪৯। আসাদ গেট বাস স্টপেজ থেকে কয়জন প্যাসেঞ্জার বাসে ওঠল ——–নয়জন।
50। নুরুল হুদার দিকে তাকিয়ে “আরে রাখো রাখো” বলে বাসথেকে কয়জন নেমে পড়ল——- তিন জন।
৫২। সাধারণত কোন নামাজটা নুরুল হুদা নিয়মিত পড়ে—— জুমা।
৫৬। নুরুল হুদা বাস থেকে নামল কোথায়——–নিউ মার্কেটে।
৫৮। প্রিন্সিপ্যালের কামরার চেয়ারটি কেমন ছিল——-সিংহাসন মার্কা।
৫৯। কার দোহাই পেড়ে প্রিন্সিপ্যালের সুবিধা হয় না——-আকবার সাজিদের।
৮০। জাঁদরেল কর্নেল বা ব্রিগেডিয়ার কাকে জিপে তোলে——নুরুল হুদা এবং আব্দুস সাত্তার মৃধাকে।
৬২। কিছুদিন আগে কলেজের তী কেনা হয়েছে———লোহার আলমারি।
৬৫। মোট আলমারি আনা হয়——-১০টি।
৬৪। আলমারিগুলো আনা হয়েছে- —–ঠেলাগাড়ি দিয়ে
রেইনকোট গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর
৬৬। মিলিটারির মতে কুলিরা ছিল——— ছদ্মবেশী মিসক্রিয়েন্ট।
৬৭। কুলিরা ধরা খেয়ে কার নাম বলেছিল——–নুরুল হুদার।
৬৮। “বর্ষাকালেই তো জুৎ।” কুলিরা এ উক্তিটি করেছিল—২ বার।
৬৯। “বাংলার বর্ষা তো শালারা জানে না। রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইন্টার, আমাদের জেনারেল মনসুন।” উক্তিটি
করেছে—— স্টাফরুমের একজন।
৭০। মিলিটারি নুরুলহুদাকে কয়টি ঘুষি মারে——২ টি।
৭১। কুলিদের ঠিকানা বলে দেবে এই নিশ্চয়তাই নুরুল হুদাকে কী খাওয়ানো হয়——–পাউরুটি ও দুধ।
৭২। কথকের কাছে চাবুকের বাড়িগুলো কী মনে হয়———স্রেফ উৎপাত।
৭৩। কীসের মতো চাবুকের বাড়ি পড়ে তার রেইনকোটের চামড়ায়——-বৃষ্টির মতো।
৭৬। নুরুলহুদার বেঁটেখাটো শরীরটাকে ঝুলিয়ে দেয়া হয় ——ছাদে লাগানো একটা আংটার সঙ্গে।
৭৭। নুরুল হুদার ছেলের বয়স——–পাঁচ বছর।
৭৮। নুরুল হুদার মেয়ের বয়স——-আড়াই বছর।
রেইনকোট গল্পের মূলভাব
মুক্তিযুদ্ধের তখন শেষ পর্যায়। ঢাকায় তখন মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা আক্রমণ শুরু হয়েছে। তারই একটি ঘটনা এ গল্পের বিষয়; যেখানে ঢাকা কলেজের সামনে গেরিলা আক্রমণের ফলে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মার ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কলেজের শিক্ষকদের তলব করে এবং তাদের মধ্য থেকে নুরুল হুদা ও আবদুস সাত্তার মৃধাকে গ্রেপ্তার করে নির্যাতন চালিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্ধান পাওয়ার চেষ্টা করে। নুরুল হুদা এই গল্পের কথক। তার জবানিতে গল্পের ঘটনাবলি বিবৃত হয়েছে। বিবৃত হয়েছে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বর নিপীড়ন ও হত্যাযজ্ঞের মধ্যে ঢাকা শহরের আতঙ্কগ্রস্ত জীবনের চিত্র।
গেরিলা আক্রমণের ঘটনা ঘটে যে রাত, তার পরদিন সকালে ছিল বৃষ্টি। তলব পেয়ে সেই বৃষ্টির মধ্যে নুরুল হুদাকে কলেজে যেতে য রেইনকোটটি পরতে হয় সেটি ছিল তার শ্যালক মুক্তিযোদ্ধা মিন্টুর। গল্পে এই রেইনকোটের প্রতীকী তাৎপর্য অসাধারণ। মুক্তিযোদ্ধা শ্যালকের রেইনকোট গায়ে দিয়ে সাধারণ ভীতু প্রকৃতির নূরুল হুদার মধ্যে সঞ্চারিত হয় যে উষ্ণতা, সাহস ও দেশপ্রেম-তারই ব্যঞ্জনাময় প্রকাশ ঘটেছে এ গল্পে।

Good
Khub vlo
thanks
[…] এক নজরে রেইনকোট MCQ Answer […]