
মিলনতত্ত্ব বই ডাউনলোড করতে আমাদের পোস্ট সম্পূর্ণ পড়ুন। বইটি লিখেছেন ডা. শামসুল আরেফীন শক্তি। লেখকের কথা অনেক “ইসলামসম্মত যৌনশিক্ষা” প্রয়োজন নেই বলে মনে করেন। হ্যাঁ, ছিল না, মানুষ ফিতরাগত ভাবেই এগুলো শিখে থাকে, বুঝে থাকে। কিন্তু ফিতরাত যখন নষ্ট হয়ে যায়, তখন কেউ দেখিয়ে না দিলে সে ধোঁয়াশার ভিতর হাবুডুবু খাবে, কখনও কুয়াশায় চিনে নেবে ভুল পথ। এজন্য বিবাহিত-বিবাহুদ্য সকলেই এখন ‘পথ চিনিয়ে দেবার’ মুখাপেক্ষী।
এগুলো নিয়ে আর চুপ থাকার অবকাশ নেই। আপনি বাচ্চাকে না জানালেও পর্নো-ইন্ডাষ্ট্রি আর বখে যাওয়া বন্ধুরা থেমে নেই। আমরা মিলনের সঠিক ধারণা নিয়ে না লিখলেও পর্ন-মুভি-কলিকাতা হারবালেরা থেমে নেই। সুতরাং ‘হায়া’র সীমারেখায় আমাদেরকে কথা বলতে হবে, যেমনটি নবীজী সাঃ বলেছেন- ‘সত্য বলতে আল্লাহ লজ্জা পান না’।
মিলনতত্ত্ব বই PDF Free Download
সতর্কতা
যদি অবিবাহিত হন, দয়া করে আর একটি পাতাও উল্টাবেন না। সবকিছু র একটা সময় আছে। যদি এই বইয়ের কারণে গুনাহ করে বসেন, তার দায় শুধুই আপনার একার।
লেখকের কথা
পশ্চিমা পুঁজিবাদী সভ্যতা মানুষের স্বভাবগত ফিতরাতী (instinctive) বৈশিষ্ট্যগুলো ধ্বংস করে দিচ্ছে। যে বিষয়টা মানুষ এমনিতেই নিজের ভেতর টের পেত, বা আপনাআপনিই ধরে ফেলত, শিখে ফেলত, কেউ বুঝিয়ে না দিলেও একা একাই বুঝে ফেলত; সে বিষয়গুলোকে পুঁজিবাদী ভোগবাদী সভ্যতা ধোঁয়াটে করে ফেলছে, অস্পষ্ট করে ফেলছে নিজের ব্যবসায়িক স্বার্থে। একজন পুরুষ সন্দেহে পড়ে যাচ্ছে- সে পুরুষ, না নারী। চোখে দেখেও, জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বুঝেও একজন বিশ্বাস করছে একটা ছেলে যা পারে, একটা মেয়েও তাই পারে- নারী-পুরুষ সমান। মানুষের স্বাভাবিক সমাজ-বন্ধন, সহজাত গোত্রশক্তি ধ্বংস করে দিচ্ছে, সমাজের দায়িত্বগুলোকে ব্যবসা বানিয়ে নিয়েছে পুঁজিবাদ।
পুঁজিবাদী সকল প্রকল্প বিনা বাধায় যেন চলতে পারে, সেই পলিসি গড়ার জন্য রাষ্ট্রকে সর্বশক্তিমান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে, যে রাষ্ট্র চালাবে গণতন্ত্র নামের একটা সিস্টেম যা পুঁজিবাদ-নির্ভর, মন্ত্রী হবে পুঁজিপতিরা। গরীব আরও গরীব হবে, মধ্যবিত্ত কেবল বেঁচে থাকবে বা আরো গরীব হবে। সম্পদের প্রবাহ হবে একমুখী, ৫০% সম্পদ যেমন এখন ১% মানুষের হাতে ‘১’, এই গ্যাপ বাড়তে থাকবে।
যৌ/ন-তারল্যের নামে, জেন্ডার আইডেনটিটির নামে যৌ/নতারও একগাদা অস্পষ্ট সংজ্ঞা দাঁড় করিয়েছে পুজিবাদ। পর্নো-ইন্ডাস্ট্রি দিয়ে প্রতিটা মানুষকে করে তুলেছে অতৃপ্ত। কেউ ভাবছে তার ভুল শরীরে জন্ম হয়েছে, নিজের অঙ্গ নিয়ে অতৃপ্ত, নিজের টাইমিং নিয়ে অতৃপ্ত, নিজের স্ত্রীর লাবণ্য নিয়ে অতৃপ্ত, স্ত্রীর পারফরমেন্স নিয়ে অতৃপ্ত। সহজ স্বাভাবিক সুন্দর যৌ/নতাকে নব-বিবাহিতদের জন্য করে তুলেছে বিভীষিকা। বহু পুরুষ লিটারেলি ভয় পায় বিয়ে করতে। প/র্নো/গ্রাফি-ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি নারীকে যৌ/নবস্তু হিসেবে উপস্থাপন করেছে, যাকে মারা হবে, লাঞ্ছিত করা হবে, নিকৃষ্ট অঙ্গের বর্জ্য তরল ফেলা হবে নারীর মর্যাদার অঙ্গ চেহারায়।
আর বলা হবে এটাই নাকি তাদের ভালো লাগে, তাকে দিয়ে অভিনয় করানো হবে আনন্দ-শীৎকারের। আর পুরুষকে দেখানো হয় সে/ ক্স-মেশিন হিসেবে। ৭ দিনের শুটিং ১ ঘন্টায় এনে প্রমাণ করা হয়, ১ ঘণ্টা তোমাকে টিকতেই হবে, নইলে নারী তৃপ্ত হবে না। সম্পূর্ণ পড়তে বই ডাউনলোড করুন।
