
প্রিয় নবী (সা.) এর জীবনী সম্পর্কে আমাদের সবার জানা উচিত। তাই আজকে আমরা মহানবী সাঃ এর জীবনী সংক্ষিপ্ত আকারে আপনাদের সাথে শেয়ার করব। মহানবী (সা.) হলেন সর্বশেষ নবী ও রাসুল তার পরে আর কোনো নবী বা রাসুল দুনিয়াতে আসবেন না।
৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে মক্কার কুরাইশ বংশে মহানবী (সা.) জন্মগ্রহণ করেছিলেন। কঠিন সব পরীক্ষার জন্য মহান আল্লাহ্ তায়ালা প্রিয় নবীকে শিশু কালেই এতিম করেন। তার পিতার নাম আব্দুল্লাহ ইবনে আব্দুল মুত্তালিব এবং মাতার নাম আমিনা বিনতে ওহাব। জন্মের পূর্বেই তার পিতা আব্দুল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন এবং ছয় বছর বয়সে তার মাতা আমিনা মৃত্যুবরণ করেন।
মহানবী সাঃ এর জীবনী সংক্ষিপ্ত
মুহাম্মাদ (সা.) আরবের মক্কা শহরে জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের আগে তার বাবা আব্দুল্লাহ মারা যান এবং ৬ বছর বয়সে তার মা আমিনা মারা যাওয়ার পর তার চাচা আবু তালিব তাকে লালন-পালন করেন। শৈশবে তিনি চরবাহা (মেষপালন) করতেন এবং তারপর একজন ব্যবসায়ী হিসেবে কাজ করেন। প্রথমবারের মতো ২৫ বছর বয়সে তিনি মক্কার বিখ্যাত এবং সম্মানিত ব্যক্তিত্ব, ৪০ বছর বয়সী একজন ধনী বিধবা খাদিজাকে বিবাহ করেন।
মুহাম্মাদ (সা.) নিয়মিতভাবে কিছু রাত নূর পর্বতের হেরা গুহায় গিয়ে ধ্যান করতেন। ৩৫ বছর বয়সের পর তার এই অভ্যাস আরও ব্যাপক হয়ে ওঠে। ইসলামী বিশ্বাস অনুসারে, ৪০ বছর বয়সে কুরআনের প্রথম আয়াত মুহাম্মাদ (সা.) এর উপর অবতীর্ণ হয় এবং তিনি জানান যে এগুলো আল্লাহর নিকট হতে জিবরাঈল ফেরেশতা কর্তৃক প্রেরিত। প্রথমে তিনি কেবল আপনজনদের ইসলামের প্রতি আহ্বান জানা এবং তিন বছর পর থেকে মানুষকে সামগ্রিকভাবে ইসলামে আমন্ত্রণ জানাতে শুরু করেন। তিনি আল্লাহ এক এবং অদ্বিতীয় এই বার্তা প্রচার করেন এবং বলেন যে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের একমাত্র উপায় হলো আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ। তিনি নিজেকে আল্লাহর রাসুল ও নবী হিসেবে ঘোষণা করেন এবং বলেন যে তিনি পূর্ববর্তী নবীদের বংশধর।
প্রথম দিকে মুহাম্মাদে (সা.) এর অনুসারী সংখ্যা ছিল অল্প। তিনি মক্কার কিছু গোত্র এবং কিছু আত্মীয়ের বিরোধিতার সম্মুখীন হন। এই সময়ে তার অনুসারীরা তীব্র নির্যাতনের শিকার হওয়ায় তিনি ৬১৫ সালে কিছু অনুসারীকে আবিসিনিয়ার আকসুম রাজ্যে পাঠান। ৬২২ সালে নিজের অনুসারীদের সাথে মদিনায় হিজরত করেন।
মদিনায় পৌঁছানোর পর মুহাম্মাদ (সা.) মদিনার সনদ নামক সংবিধান প্রণয়নের মাধ্যমে সেখানকার গোত্রগুলোকে একত্রিত করেন। মক্কার গোত্র এবং পৌত্তলিকদের সাথে আট বছর ধরে যুদ্ধ চলার পর তার অনুসারীর সংখ্যা দশ হাজার ছাড়িয়ে যায়। ৬৩০ সালের শুরুতে দশ হাজার সাহাবির এক বিশাল মুসলিম বাহিনীর নেতৃত্বে মক্কা অবরোধের পর একটি চুক্তির মাধ্যমে রক্তপাতহীনভাবে মক্কার নিয়ন্ত্রণ লাভ করেন। তিনি শহরে প্রবেশ করে সকল মূর্তি ভেঙে ফেলেন এবং তারপর তার অনুসারীদের পূর্ব আরব-এ অবশিষ্ট সকল পৌত্তলিক মন্দির ধ্বংস করার জন্য পাঠান। অল্প সময়ের মধ্যে অনেক সকল অভিযান পরিচালনন করে তিনি আরবের বেশিরভাগ অংশ জয় করেন। ৬৩২ সালে বিদায় হজ্জ পালন করেন এবং আরাফাত পর্বতে এক লক্ষেরও বেশি সমবেত মুসলিমের উপস্থিতিতে বিদায়ী ভাষণ প্রদান করার পর মদিনায় ফিরে আসেন। এর কয়েক মাস পর তিনি অসুস্থ হয়ে মদিনায় মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর সময় আরব উপদ্বীপের অধিকাংশ অধিবাসী ইসলাম গ্রহণ করে এবং তিনি আরব উপদ্বীপকে একটি এককরাষ্ট্রের অধীনে একত্রিত করেছিলেন।
মহানবী (সাঃ) এর জীবনী সংক্ষিপ্ত করে পড়লে কিছুই বুঝবেন না তাই উপদেশ থাকবে সম্পূর্ণ জীবনী পড়ার জন্য তাহলে সম্পূর্ণ বুঝতে পারবেন। উপরে খুবই সংক্ষিপ্ত জীবনী দেওয়া হয়েছে যার থেকে তেমন কিছু বুঝবেন না তাই আমরা দুঃখিত। সম্পূর্ণ জীবনী উইকিপিডিয়া থেকে পেয়ে যাবেন।

[…] মহানবী সাঃ এর জীবনী সংক্ষিপ্ত আকারে (PDF… […]
[…] নবীজি (সা.) সম্পর্কে আল্লাহর হুকুম কী, সেই জ্ঞান অর্জন করে সেভাবে ইবাদত করতে হবে। মহান রাব্বুল আলামিন নবীজির শান বুলন্দ করে বলেন- হে মাহবুব! আপনি বলে দিন, ‘হে মানব জাতি, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবেসে থাকো, তবে আমার অনুসারী হয়ে যাও, (ফলে) আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের গুনাহ্ ক্ষমা করবেন । নবী (সা.) এর ইত্তিবা ও সর্বাঙ্গীণ অনুসরণ আমাদের কর্তব্য। […]