
বিলাসী গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর আমরা নিচে দিয়েছি শিক্ষার্থীরা তোমরা সৃজনশীল খুব মনোযোগ দিয়ে পড়বে কারণ সৃজনশীল যতো বেশি লিখবে তত বেশি নাম্বার পাবে।
বিলাসী গল্পটি এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ‘বিলাসী’ গল্পের প্রধান চরিত্র বিলাসী। সে নিচু বর্ণের সাপুড়ের মেয়ে। গল্পে উচ্চবংশীয় মৃত্যুঞ্জয়কে সেবা-শুশধূষা দিয়ে সুস্থ’ করে তোলে বিলাসী। মৃত্যুঞ্জয়ও তার সেবার প্রতিদানে ভালোবেসে বিয়ে করে তাকে। কিন্তুমৃত্যুঞ্জয্রযের স্বার্থপর খুড়া গ্রামে বিভিন্ন কুৎসা রটনা করে বেড়ায়। বিলাসীর হাতে ভাত খাওয়ায়
অন্নপাপের অভিযোগ তুলে খুড়া গধামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে মৃত্যুঞ্জয়কে ভিটাছাড়া করে।
বিলাসী গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর ২০২৫
টেলিভিশনে একটি সিনেমার দৃশ্য দেখছিল ছোট আফসান। নায়িকা নায়ককে বলছে: ‘বিশ্বাস করো রাজা, আমি তোমাকে ভালোবাসি। প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। নায়ক না রাণী না, তা হয় না। তুমি মালিক, আমি চাকর। তোমরা বড়লোক, আর আমরা গরিব। তোমার আর আমার প্রেম হতে পারে না। ছোট্ট আফসান কিছুতেই ভেবে পেল না যে রাজা ও রানার মধ্যে কেন প্রেম হতে পারে না।
ক. মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যুর পর বিলাসী কতদিন বেঁচেছিল?
খ. মৃত্যুঞ্জয় গ্রামের মুখ পোড়ায় কীভাবে? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের নায়ক রাজার সঙ্গে ‘বিলাসী’ গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের বৈসাদৃশ্য তুলে ধরো।
ঘ.আফসানের মতো উদার মানসিকতার অধিকারী হলে বিলাসী-মৃত্যুঞ্জয়াকে এমন পরিণতির বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর
ক. মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যুর পর বিলাসী সাত দিন বেঁচেছিল।
খ. সাপুড়েকন্যা বিলাসীকে বিয়ে করায় উঁচু বর্ণের মৃত্যুঞ্জয়ের গ্রামের মুখ পোড়ে।
রোগশয্যায় ছিল তখন বিলাসী প্রাণপণ সেবা-শুশ্রূষা করে তাকে রোগমুক্ত করে। বিলাসীর আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়ে মৃত্যুঞ্জয় তাকে ভালোবেসে বিয়ে করে। উঁচু-নিচু নানান সম্প্রদায়ে বিভক্ত তৎকালীন সমাজ এ বিয়েকে মেনে নেয়নি উপরন্তু ঘটনাটিকে তারা গ্রামের মুখ পোড়ানো বলে অভিহিত করে।
গ. অবস্থানগত দিক থেকে উদ্দীপকের নায়ক রাজার সঙ্গে ‘বিলাসী’ গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের রয়েছে।
‘বিলাসী’ গল্পে আমরা অসাধারণ এক প্রেমিকপুরুষ মৃত্যুঞ্জয়ের সন্ধান পাই। বিলাসী। জাতের মেয়ে হলেও তার প্রতি আকর্ষণ কমে যায়নি মৃত্যুঞ্জয়ের। বরং বিলাসীর প্রতি প্রেমের প্রাবল্যে সে তার জাত বিসর্জন দিতেও দ্বিধা করেনি। উদ্দীপকের রাজার মধ্যে হয়তো প্রেমিকার প্রতি ভালোবাসার অভাব নেই। অনুদার সমাজের বিভেদরেখা অতিক্রম করার সাহস তার নেই। তাই সে তার প্রেমিকার ভালোবাসার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে। কিন্তু ‘বিলাসী’ গল্পের নায়ক মৃত্যুঞ্জয় কোনো বাধার সামনে মাথা নত করেনি। সমাজের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে সে নিম্নবর্ণের সাপুড়েকন্যা বিলাসীকে বিয়ে করে। শুধু তাই নয়, সমাজের চাপে নিজের সহায়-সম্পত্তি এমনকি বংশ গৌরব পর্যন্ত ত্যাগ করেছে ভালোবাসার মানুষটিকে পাওয়ার জন্য। মৃত্যুঞ্জয়ের এমন দৃঢ় অবস্থান এবং মানসিকতার দিকটি উদ্দীপকের রাজা চরিত্রে পরিলক্ষিত এদিক থেকে উদ্দীপকের নায়ক রাজার সঙ্গে আলোচ্য গল্পের মৃত্যুঞ্জয়ের বৈসাদৃশ্য রয়েছে।
ঘ.’বিলাসী’ গল্পে উল্লিখিত সমাজের মানুষেরা উদ্দীপকের আফসানের মতো উদার মানসিকতার অধিকারী হলে বিলাসী ও মৃত্যুঞ্জয়কে করুণ পরিণতি বরণ করতে হতো না বলেই আমি মনে করি। ‘বিলাসী’ গল্পে উল্লিখিত সমাজের মানুষে কুসংস্কারাচ্ছন্ন ও রক্ষণশীল। ধর্মান্ধতার অন্ধকার তাদের মনকে এমনভাবে সংকুচিত করে রেখেছে যে, তারা মানুষকে মানুষ হিসেবে মূল্যায়ন করতে পারেনি। জাতিগত বিভেদের সংকীর্ণতা তাদের চেতনাজুড়ে। এ কারণেই তারা বিলাসী আর মৃত্যুত্থানের সম্পর্ককে মেনে নিতে পারেনি। মানসিক সংকীর্ণতা হেতু বিলাসী-মৃত্যুঞ্জয়ের প্রতি অমানবিক আচরণকেই তারা ধর্ম ও সম্মান রক্ষার মতো গৌরবের কাজ বলে মনে করেছে।
উদ্দীপকের আফসান চিন্তাভাবনার দিক থেকে অনেক উদার। সমাজের অপ্রয়োজনীয় জটিল ভাবনা তার শিশুমনকে স্পর্শ করেনি। তাই তার কাছে মানুষের শ্রেণিভিত্তিক পরিচয় বড় হয়ে ওঠেনি, যে গণ্ডি থেকে অধিকাংশ মানুষই বের হতে পারে না। এ কারণেই সিনেমার ধনী নায়িকার সাথে গরিব নায়কের সম্পর্ক না হওয়ার কোনো অর্থবহ কারণ খুঁজে পায় না সে। আলোচা গল্পে উল্লিখিত সমাজের মানুষদের মাঝে আফসানের বিপরীতধর্মী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।
“বিলাসী’ গল্পের অনুদার সমাজের মানুষেরা বিলাসী ও মৃত্যুঞ্জয়ের প্রেমকে মূল্য দিতে পারেনি। বরং তাদের কারণেই এই যুগলকে করুণ পরিণতি বরণ করতে হয়েছে। মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যুকে তারা অন্নপাপের ফল বলে মনে করেছে। বিলাসীর মৃত্যু তাদের কাছে হয়ে উঠেছে পরিহাসের বিষয়। এককথায় গল্পে বর্ণিত সমাজের মানুষের মাঝে মানসিক সংকীর্ণতা ও অমানবিকতার দিকটিই মুখ্য হয়ে উঠেছে। পক্ষান্তরে উদ্দীপকের আফসানের চিন্তা-ভাবনা ‘বিলাসী’ গল্পের মানুষের তুলনায় অনেক উন্নত ও উদার। তার শিশুমনকে ভেদ-বৈষম্যের পঙ্কিলতা এখনো স্পর্শ করেনি। সংগত কারণেই প্রেমিক ও প্রেমিকার নিঃশর্ত ভালোবাসা কেন বিত্ত ও শ্রেণি পরিচয়ের গণ্ডিতে ঠোকর তবে এই ব্যাপারটি ভাবিয়ে তোলে তাকে। ‘বিলাসী’ গল্পে উল্লিখিত সমাজ আফসানের মতো উদার হলে বিলাসী-মৃত্যুঞ্জয়ের পরিণতি এমন হতো না। সে বিবেচনায় প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথাযথ।
বিলাসী গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর (২)
সম্ভ্রান্ত পরিবারের ছেলে অপুর বিয়ে ঠিক হয়েছে ধনাঢ্য ঘরের মেয়ে চম্পার সাথে। কিন্তু বিয়ের ঠিক দুইদিন আগে অপুর মা-বাবা বেঁকে বসেন। তাদের কাছে খবর এসেছে যে চম্পার মরহুম দাদা এতিমখানার একজন বাবুর্চি ছিলেন। নিজের সামান্য উপার্জনে মেধাবী ছেলেকে শহরে রেখে অতি কষ্টে পড়াশোনা করিয়েছেন। সেই ছেলের কারণেই আজ তাদের পরিবারের এত নাম-যশ। এমন ইতিহাস আছে যে পরিবারে, সেখানে কিছুতেই ছেলের বিয়ে দেবেন না অপুর মা-বাবা। মা-বাবার মানসিক সংকীর্ণতা প্রত্যক্ষ করে অপু তার অত্যন্ত মর্মাহত হয়।
ক. গোখরা সাপ পোষার শখ ছিল কার?
খ. কে বলিবে এ আমাদের সেই মৃত্যুঞ্জয় – উক্তিটি বুঝিয়ে দাও ।
গ. উদ্দীপকের অপুর বাবা-মায়ের মানসিতার সাথে বিলাসী’ গল্পের সমাজব্যবস্থার তুলনা করো।
ঘ.অপুর মর্মাহত ও লজ্জাবোধ করা কতখানি যৌক্তিক? ‘বিলাসী’ গল্প অবলম্বনে মতামত দাও।
সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর
ক. গোখরা সাপ পোষার শখ ছিল গল্পকথক ন্যাড়ার।
খ. ‘বিলাসী’ গল্পে কায়স্থ ঘরের সন্তান মৃত্যুঞ্জয়ের সাপুড়ে রূপ দেখে গল্পকথক ন্যাড়া উদ্ধৃত উক্তিটি করেছে।
গ. অন্ত্যজ শ্রেণির মেয়ে বিলাসীকে বিয়ে করায় অনুদার ও রক্ষণশীল হিন্দুসমাজ কর্তৃক মৃত্যুঞ্জয়কে গ্রামছাড়া হতে হয়। কিন্তু এতে সে দমে যায়নি। জাত বিসর্জন দিয়ে বছরখানেকের মধ্যেই সে পুরোদস্তুর সাপুড়ে হয়ে ওঠে। মাথায় গেরুয়া পাগড়ি বড়ো বড়ো দাড়ি-চুল, গলায় রুদ্রাক্ষ ও পুঁতির মালায় সজ্জিত মৃত্যুঞ্জয়কে দেখে বোঝার উপায় থাকে না যে, কোনো একসময় সে কায়স্থ ঘরের সন্তান ছিল। জাত বিসর্জন দেওয়ার পর স্বল্প সময়েই সে নিজেকে এমনভাবে পরিবর্তন করেছিল যে, ন্যাড়া পর্যন্ত অবাক না হয়ে পারেনি। আলোচা উক্তিটিতে মৃত্যুঞ্জয়কে নিয়ে গল্পকথক ন্যাড়ার সেই উপলব্ধিই ফুটে উঠেছে।
উদ্দীপকের অপুর মা-বাবার মানসিকতা ‘বিলাসী’ গল্পের বর্ণবিভক্ত ও সংকীর্ণ সমাজব্যবস্থাকেই যেন মনে করিয়ে দেয়।
“বিলাসী’ গল্পে লেখক তৎকালীন বর্ণবিভক্ত সমাজব্যবস্থার এক বাস্তব চিত্র অংকন করেছেন। বংশগৌরবের সংকীর্ণ চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সে সমাজের লোকজন নিজেদের ভেদ-বৈষম্যের বেড়াজালে আবদ্ধ করে রেখেছিল। এ কারণেই মৃত্যুঞ্জয় বিলাসীর মানবিক সম্পর্ককে তারা মূল্য দেয়নি। উপরন্তু জাত বিসর্জনের ভয়ে নিপীড়নের মাধ্যমে তাদের গ্রামছাড়া করে।
উদ্দীপকের অপুর মা-বাবা তুচ্ছ কারণে অপুর বিয়ে ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, যা তাদের সংকীর্ণ মানসিকতার পরিচয় বহন করে। চম্পার যোগ্যতা ও ব্যক্তিত্ব যেখানে সর্বাধিক মর্যাদা পাওয়ার কথা ছিল, সেখানে তারা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন চম্পার পারিবারিক ইতিহাসকে। আলোচ্য ‘বিলাসী’ গল্পেও একই বিষয়ের অবতারণা ঘটেছে। সেখানেও উচ্চবর্ণের ছেলে মৃত্যুভয়ের সঙ্গে সাপুড়ের মেয়ে বিলাসীর বিয়ের বিষয়টিকে তৎকালীন সমাজ কিছুতেই মেনে নেয়নি। আর তাই অন্নপাপের অজুহাতে বিলাসী-মৃত্যুঞ্জয়কে গ্রামছাড়া করে তারা; অর্থাৎ উদ্দীপকের অপুর মা-বাবার মানসিকতা ‘বিলাসী’ গল্পের গ্রামবাসীর মানসিকতারই অনুরূপ। মানুষের জীবনের চেয়ে বংশগৌরবই তাদের কাছে বড়ো।
ঘ. ‘বিলাসী’ গল্পের শিক্ষার আলোকে বলা যায়, মানবিক বোধসম্পন্ন যেকোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রেই উদ্দীপকের ঘটনায় মর্মাহত ও লজ্জিত হওয়াটা খুবই যৌক্তিক।
‘বিলাসী’ গল্পটি অনুদার ও রক্ষণশীল সমাজের দর্পণ স্বরূপ। বর্ণবিভক্ত সমাজব্যবস্থার নির্মম নিষ্পেষণে অকালে করে গেছে বিলাসী ও মৃত্যুঞ্জয়ের প্রাণ। বস্তুত, মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা-স্বপ্ন কোনোকিছুই সমাজের তথাকথিত কাঠামোর চেয়ে মূল্যবান হয়ে ওঠেনি আলোচ্য গল্পের গ্রামবাসীর কাছে।
উদ্দীপকের ধনাঢ্য ঘরের মেয়ে চম্পার সাথে অপুর বিয়ে ঠিক হলেও চম্পার মৃত দাদার কর্মজীবনের পরিচয় পেয়ে অপুর মা-বাবা বিয়ে ভেঙে দিতে চান। চম্পার দাদা বাবুর্চি ছিল বলেই তাদের যত আপত্তি। চম্পার যোগ্যতা ও মানবিক মূল্যবোধের তুলনায় তারা গুরুত্ব দিয়েছেন তার পারিবারিক ইতিহাসকে; যদিও সেটি আপত্তি করার মতো কোনো কারণ হতে পারে না। ‘বিলাসী’ গল্পে উল্লিখিত, গ্রামবাসীর মানসিক সংকীর্ণতাও আমাদের বিবেককে একইভাবে নাড়া দেয়।
‘বিলাসী’ গল্পে বর্ণবিভক্ত সমাজের ভয়াবহ রূপটি উন্মোচিত হয়েছে। সংকীর্ণচিত্তের স্বার্থপর মানুষদের কাছে বিলাসী তার সম্প্রসারণত পরিচয়ের কারণে নিন্দিত ও ঘূর্ণিত হয়েছে। অন্যদিকে, উদ্দীপকের চম্পার মরহুম দাদা এতিমখানায় সামান্য বাবুর্চির চাকরি করতেন— এই সংবাদে দিশেহারা হয়ে পড়েন অপুর মা-বাবা। পাত্রী হিসেবে তার সকল যোগ্যতা তুচ্ছ হয়ে পড়ে চম্পার এই পরিচয়ের কাছে। অর্থাৎ উদ্দীপক ও ‘বিলাসী’ পদ্মা উভয়ক্ষেত্রেই মানসিক সংকীর্ণতার বিষবাষ্প বাধিত করে তোলে সংবেদনশীল মনকে। সংগত কারণেই একজন সচেতন ও বিবেকবান মানুষ হিসেবে মা-বাবার মানসিক সংকীর্ণতা অপুকে পীড়িত করেছে। সে বিবেচনায় উদ্দীপকের অপুর মর্মাহত ও লজ্জিত হওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
বিলাসী গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর আরও প্রয়োজন হলে এখান থেকে ডাউনলোড করে নাও। এছাড়াও যদি বিলাসী গল্পের mcq পড়তে চাও তাহলে লিংকে ক্লিক করে পড়ে নাও।

Study struggle
Help for exam
Thanks
[…] বিলাসী গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর […]
[…] বিলাসী গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর […]
[…] বিলাসী গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর […]
[…] বিলাসী গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর […]
Noice
thanks
Nice
[…] বিলাসী গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর […]
[…] বিলাসী – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় […]