ফিটকিরির উপকারিতা ও অপকারিতা জানলে অবাক! 2026

অ্যান্টিসেপটিক এবং অ্যান্টিবায়োটিক রূপে ফিটকিরির ব্যবহার বহু পুরনো। অনেক জায়গায় মুখের নানা ট্রিটমেন্টের কাজে ফিটকিরি ব্যবহার করা হয়।

এতে আছে পটাশিয়াম অ্যালুমিনাম সালফেট। যা আদপে প্রদাহনাশক এবং অ্যাস্ট্রিনজেন্ট জাতীয় একটি উপাদান। ত্বকের নানা সমস্যা দূর করতে টোটকা হিসাবেও ব্যবহার করা হয় ফিটকিরি। চাইলে একটি জলে ভিজিয়ে নিয়ে সরাসরি মুখে মাখতে পারেন ফিটকিরি, বা গুঁড়ো করে ফেস প্যাকে মিশিয়ে নিয়েও ত্বকে লাগাতে পারেন।

ফিটকিরির উপকারিতা ও অপকারিতা

কী উপকার হয় ফিটকিরি লাগালে?

ফিটকিরির অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান ব্রণ এবং ব্রণের দাগ দূর করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া ত্বকে প্রদাহজনিত সমস্যা, ব্যাক্টেরিয়া নির্মূল করতে খুব কার্যকরী এই খনিজ।

ফিটকিরির মধ্যে প্রাকৃতিক থাকে ‘অ্যাস্ট্রিনজেন্ট’। শরীরে সেরাম উৎপাদনের ক্ষেত্রে সমতা রাখতে এবং ব্ল্যাকহেডস বা হোয়াইটহেডস-এর সমস্যা নিয়ন্ত্রণে দারুণ উপকারী এই ফিটকিরি। নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকের উপরে জমা মৃত কোষ সরিয়ে ত্বকের হারানো জেল্লা ফেরাতে সাহায্য করে।

মুখের ভেতর আলসার অথবা মাড়ি থেকে রক্ত বেরোলেও ফিটকিরির মাধ্যমে রেহাই পাওয়া যায়।

আলসারের ওপর ৪০ সেকেন্ড মতো ফিটকিরি গুঁড়া লাগিয়ে রাখলে মুখের ভেতর আলসারগুলো কমতে শুরু করে।

পানিভর্তি বালতিতে সারা রাত ফিটকিরি মিশিয়ে সেই পানি দিয়ে সকালে গোসল করলে চুলের প্রচুর সমস্যা কমতে পারে।

শ্যাম্পুর বদলে ফিটকিরি দেওয়া পানি দিয়ে চুল ধুলেও চুল পরিষ্কার হয়। এমনকি, উকুন মারতেও ফিটকিরি দেওয়া পানি সাহায্য করে।

মুখের চামড়া যেন কুঁচকে না যায়, সেই কারণে নামী ব্র্যান্ডের বহু দামি প্রসাধনী ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এর বদলে ব্যবহার করা যায় ফিটকিরিও।

কোন পদ্ধতিতে ব্যবহার করলে মিলবে ফল?

গোলাপজলের সঙ্গে অল্প ফিটকিরি গুঁড়ো মিশিয়ে প্যাকের মতো মুখে মেখে নিতে পারেন। ১০ মিনিট রেখে ঈষদুষ্ণ পানি দিয়ে ভাল করে মুখ ধুয়ে নিলেই হবে।

দাড়ি কাটার পরে সামান্য পানিতে ভিজিয়ে নিয়েও সরাসরি মুখে ঘষতে পারেন এটি। কোথাও কেটে গেলেও একই পদ্ধতিতে লাগাতে পারেন ফিটকিরি। তবে কারও যদি শুষ্ক ত্বকের ধাত হয় তবে ফিটকিরি থেকে দূরে থাকাই ভাল ।

আরও পড়ুন  স্নাতক পাস ও অনার্স উপবৃত্তি নোটিশ ২০২৬

ফিটকিরির অপকারিতা

ফিটকিরির বেশ কয়েকটি অপকারিতা রয়েছে চলুন জেনে আসা যাক এর অপকারিতা

নিয়মানুযায়ী পানিতে ফিটকিরি ব্যাবহার করলে পানির কিছু কিছু জীবাণু যেমন, ব্যাকটেরিয়া ও প্যারাসাইট ধ্বংসহয়।

কিন্তু ভাইরাস ধ্বংসহয়না না। টাইফয়েড, ডায়রিয়া, আমাশয় ও কৃমি সংক্রামন জাতীয় রোগ থেকে রেহাই পাওয়া যায়। কিন্তু অতিরিক্ত মাত্রায় পান করলে পেটে ব্যথা ও বিষক্রিয়া অবধি হতে পারে।

We will be happy to hear your thoughts

Leave a reply

Amar Sikkha
Logo