পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়ম ও সূরা পড়ুন

মুসলিম নর-নারীর জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া মহান আল্লাহ তায়ালা ফরজ করেছেন। তাই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়ম ও সূরা ডাউনলোড করে সহী শুদ্ধভাবে নামাজ পড়া শিখুন। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সৃষ্টি করেছেন শুধু মাত্র তার ইবাদত করার জন্য। নামাজ প্রতিটি মুসলিম নারী-পুরুষের জন্য ফরজ ইবাদত। এটি এমন একটি ইবাদত যা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই।

পবিত্র কুরআন মাজিদে এমন অনেক ছোট সূরা রয়েছে, যা দিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা সম্ভব। ছোট হওয়ায় এ সূরাগুলো মনে রাখা অনেক সহজ। ফলে আপনি এগুলো দিয়েই নামাজ আদায় করতে পারবেন। আজ কোর্সটিকায় আমরা কুরআনের এমনই ১২ টি ছোট সূরা তুলে ধরবো, যা প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে আপনি ব্যবহার করতে পারবেন। সেই সাথে pdf ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করতে পারবেন।

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়ম ও সূরা ডাউনলোড

প্রতিটি সূরা আমরা বাংলা অর্থসহ তুলে ধরেছি। পাশাপাশি সবগুলো সূরার শেষে একটি PDF ফাইল রয়েছে, যা ডাউনলোডের মাধ্যমে আপনি এই প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ সূরাগুলো মোবাইল ফোনে সংরক্ষণ করতে পারবেন। তাহলে চলুন, শুরু করি। প্রথমে আমরা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়ম জেনে নেই তার পর সূরা।

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়ম

ফজরের নামাজের নিয়ম

ফজরের নামাজ ( صلاة الفجر‎) অবশ্য পালনীয় দৈনন্দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের দিনের শুরুর নামাজ। ফজরের নামাজ আদায় করেই মুসলিমরা তাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম শুরু করেন। ফজরের নামাজ দুই রাকাত সুন্নত ও দুই রাকাত ফরজ নামাজ নিয়ে গঠিত। আপনারা নামাজের নিয়মাবলি থেকে দুই রাকাআত নামাজের জন্য নামাজের নিয়ম ও প্রয়োজনীয় দোয়া দেখে নিতে পারেন।
সুবহে সাদিক থেকে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত ফজরের নামাজের সময়। অর্থাৎ ফজরের নামাজ খুব দ্রুত পড়ে ফেলতে হয়।

যোহরের নামাজের নিয়ম

যোহরের নামাজ বা সালাতুল যুহর (صلاة الظهر‎) দৈনিক নামাজগুলোর দিক থেকে এটি দ্বিতীয়। এটি ঠিক দুপুর থেকে আসরের পূর্ব পর্যন্ত আদায় করা হয়। যোহরের নামাজ প্রথমে চার রাকাত সুন্নত, চার রাকাত ফরজ ও এরপর দুই রাকাত সুন্নত নিয়ে গঠিত। নামাজি ব্যক্তি যদি মুসাফির অবস্থায় থাকে তাহলে সে চার রাকাত ফরজকে সংক্ষিপ্ত করে দুই রাকাত করতে পারে ও সুন্নত আদায় না করতে পারে। শুক্রবার যোহরের পরিবর্তে জুম্মার নামাজ আদায় করা হয়। জুম্মা ও যোহরের সময় শুরু ও শেষ হওয়ার সময়সীমা একইরকম।

আসরের নামাজের নিয়ম

আসরের নামাজ (صلاة العصر‎) দৈনিক নামাজের ক্রমের দিক দিয়ে এটি তৃতীয়। এটি বিকেলের সময় আদায় করা হয়। আসরের নামাজ চার রাকাত সুন্নত ও চার রাকাত ফরজ নিয়ে গঠিত। তবে ব্যক্তি মুসাফির অবস্থায় থাকলে চার রাকাত ফরজকে সংক্ষিপ্ত করে দুই রাকাত করে কসর আদায় করতে পারবেন।

মাগরিবের নামাজের নিয়ম

মাগরিবের নামাজ (صلاة المغرب‎) দৈনিক নামাজগুলোর ক্রমের মধ্যে চতুর্থ। এটি সূর্যাস্তের পর থেকে গোধূলি পর্যন্ত আদায় করা যায়। এটিও দ্রুততম সময়ে পড়ে ফেলা উত্তম। মাগরিবের নামাজ তিন রাকাত ফরজ ও দুই রাকাত সুন্নত নিয়ে গঠিত। ফরজ অংশ সাধারণত ইমামের নেতৃত্বে জামাতের সাথে আদায় করা হয় আবার একা ও আদায় করা যায়। তবে ব্যক্তি যদি মুসাফির অবস্থায় থাকে তাহলে শুধু তিন রাকাত ফরজ আদায় করতে পারে কসর হিসেবে।

আরও পড়ুন  সূরা কদর বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ সহ | 2026

এশার নামাজের নিয়ম

এশার নামাজ (صلاة العشاء‎) দৈনিক নামাজগুলোর মধ্যে এটি পঞ্চম। এটি রাতের সময় আদায় করা হয়। এশার নামাজের ফরজ চার রাকাত। এরপর দুই রাকাত সুন্নত ও তিন রাকাত বিতর নামাজ রয়েছে। ফরজ নামাজের পূর্বে ৪ রাকাত সুন্নত নামাজ পড়া হয়। তবে এটি না পড়লে কোনো গুনাহ হবে না। ব্যক্তি মুসাফির অবস্থায় থাকলে চার রাকাত ফরজকে সংক্ষিপ্ত করে দুই রাকাত করতে পারেন কসর হিসেবে।

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সূরা সমূহ pdf 

১. সূরা ফাতিহা

আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামীন। আর রাহমানির রাহীম। মালিকি ইয়াওমিদ্দিন। ইয়্যাকা না’বুদু ওইয়্যাকা নাসতাঈন। ইহ্‌দিনাছ ছিরাত্বাল মুসতাকীম। ছিরাত্বাল্লাযিনা আন্আমতা আলাইহিম৷ গইরিল মাগদ্ধুবি আলাইহিম ওয়ালাদ্ধা-ল্লী-ন (আমিন)

বাংলা অর্থ: যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি জগত সমূহের প্রতিপালক। যিনি পরম দয়ালু ও করুণাময়। যিনি বিচার দিবসের মালিক। আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং একমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি। তুমি আমাদেরকে সরল পথ প্রদর্শন কর। এমন ব্যক্তিদের পথ, যাদেরকে তুমি পুরস্কৃত করেছ। তাদের পথ নয়, যারা অভিশপ্ত ও পথভ্রষ্ট হয়েছে। (আমীন! তুমি কবুল কর।)

২. সূরা নাস

কুল আউযু বিরাব্বিন্নাস মালিকিন নাস। ইলাহিন্নাস মিন শাররিল ওয়াসওয়াসিল খান্নাস। আল্লাযী ইউওয়াস ওয়িসু ফী সুদুরিন্নাস। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্নাস।

বাংলা অর্থ: বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার, মানুষের অধিপতির। মানুষের মা’বুদের। তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে, যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে। জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।

৩. সূরা ফালাক্ব

ক্বুল আউযু বিরাব্বিল ফালাক্ব। মিন শাররি মা খালাক্ব। ওয়ামিন শাররি গাসিক্বিন ইযাওয়াক্বাব। ওয়ামিন শাররিন নাফফাছাতি ফিল উক্বাদ। অমিন শাররি হাসিদিন ইযা হাসাদ।

বাংলা অর্থ: বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার, তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে, অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়, গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিণীদের অনিষ্ট থেকে এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।

৪. সূরা ইখলাস

ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ৷ আল্লাহুছ ছামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ। ওয়ালাম ইয়াকিল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ।

বাংলা অর্থ: বলুন ( হে নবি ), তিনি আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়, তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন, তিনি কাউকে জন্ম দেননি, কেউ তাঁকে জন্ম দেননি। আর তাঁর সমতুল্য কেউই নেই।

৫. সূরা লাহাব

তাব্বাত ইয়াদা আবী লাহাবিও ওয়াতাব্বামা-মা-আগনা আনহু মা-লুহু ওমা কাসাব। সাইয়াছলা নারান যা-তা লাহাবিও ওমরা আতুহু হাম্মালাতাল হাত্বাব৷। ফী-জ্বীদিহা হাবলুম মিম মাসাদ।

বাংলা অর্থ: ধ্বংস হোক আবু লাহাবের হস্তদ্বয় এবং ধ্বংস হোক সে নিজেও। তার ধন-সম্পদ আর সে যা অর্জন করেছে তা তার কোন কাজে আসল না। অচিরেই সে শিখা বিশিষ্ট জাহান্নামের আগুনে প্রবেশ করবে, আর তার স্ত্রীও- যে কাঠবহনকারিণী (যে কাঁটার সাহায্যে নবী-কে কষ্ট দিত এবং একজনের কথা অন্যজনকে ব’লে পারস্পরিক বিবাদের আগুন জ্বালাত)। আর (দুনিয়াতে তার বহনকৃত কাঠ-খড়ির পরিবর্তে জাহান্নামে) তার গলায় শক্ত পাকানো রশি বাঁধা থাকবে।

৬. সূরা নাসর

ইযা-জা-আ নাসরুল্লাহি ওয়াল ফাতহু, ওয়ারা আইতান্নাসা ইয়াদখুলুনা ফীদীনিল্লাহি আফওয়াজা। ফাসাব্বিহ বিহামদি রব্বিকা ওয়াস তাগফিরহু। ইন্নাহু কানা তাউয়্যাবা।

আরও পড়ুন  খুতবাতুল আহকাম [pdf] এমদাদিয়া লাইব্রেরী ডাউনলোড ২০২৬

বাংলা অর্থ: যখন আসবে আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় এবং আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে দেখবেন। তখন আপনি আপনার পালনকর্তার পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন; নিশ্চয় তিনি তাওবা কবুলকারী।

৭. সূরা কাফিরুন

কুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরুন। লা-আবুদু মা তা বুদুন। ওয়ালা আংতুম আবিদুনা মা আবুদ। ওলা লা আনা আবিদুম মা -আবাত্যুম আবিদুনা মা -আ বুদ। লাকুম দীনুকুম অলিয়া দ্বীন।

বাংলা অর্থ: বলুন, ‘হে কাফিররা! আমি তার ‘ইবাদাত করি না যার ‘ইবাদাত তোমরা কর। এবং তোমরাও তাঁর ‘ইবাদাতকারী নও যাঁর ইবাদাত আমি করি। এবং আমি ‘ইবাদাতকারী নই তার যার ‘ইবাদাত তোমরা করে আসছ। তোমরা এবাদতকারী নও, যার এবাদত আমি করি। তোমাদের কর্ম ও কর্মফল তোমাদের জন্যে এবং আমার কর্ম ও কর্মফল আমার জন্যে।

৮. সূরা আল-কাওসার

ইন্না আ তাইনা কালকাওছার। ফাছাল্লি লি রাব্বিকা ওয়ানাহার। ইন্না শা-নিয়াকা হুয়াল আবতার।

বাংলা অর্থ: নিশ্চয়ই আমি আপনাকে কাউসার (বা প্রভূত কল্যাণ) দান করেছি। অতএব আপনার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে নামায আদায় করুন এবং কুরবানী করুন। নিশ্চয় আপনার প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারীই লেজকাটা, নির্বংশ।

৯. সূরা আল-মাউন

আরায়াইতাল্লাজি ইউকাযযিবু বিদ্দীন, ফাযালিকাল্লাযী ইয়াদু’য্যুল ইয়াতীম। ওয়ালা ইয়াহুদ্দু আলা তো য়ামিল মিসকীন, ফাওয়াইলুল্লিল মুছাল্লীন। আল্লাযীনা হুম আনছলাতিহিম্‌ সাহুন। আল্লাযীনা হুম্‌ ইউরা-উনা ওয়া ইয়ামনায়ূনাল মাউন।

বাংলা অর্থ: আপনি কি দেখেছেন তাকে, যে বিচারদিবসকে মিথ্যা বলে? সে সেই ব্যক্তি, যে এতীমকে গলা ধাক্কা দেয় এবং মিসকীনকে অন্ন দিতে উৎসাহিত করে না। অতএব দুর্ভোগ সেসব নামাযীর, যারা তাদের নামায সম্বন্ধে বে-খবর, যারা তা লোক-দেখানোর জন্য করে, এবং নিত্য ব্যবহার্য্য বস্তু অন্যকে দেয় না।

১০. সূরা কুরাইশ

লিঈলাফি ক্বূরাইশিন। ঈলাফিহিম রিহলাতাশ শিতাই ওয়াছ্ছাইফি। .ফালইয়া’বুদু রাব্বাহাযাল বাইত। আল্লাযী আত্ব’আমাহুম মিন জু-ইও ওয়া আমানাহুম মিন খাওফ।

বাংলা অর্থ: যেহেতু কুরাইশরা অভ্যস্ত; অভ্যস্ত শীত ও গ্রীষ্মের সফরে, এই ঘরের রবের ইবাদাত তাদের করা উচিত। যিনি তাদের ক্ষুধামুক্তি দিয়েছেন এবং নিরাপদ রেখেছেন।

১১. সূরা ফীল

আলাম তারা কাইফা ফা’আলা রাব্বুকা বিআসহাবিল ফী-ল। আলাম ইয়াজ’আল কাইদাহুম ফী তাদ্বলীলিও। ওয়া আরছালা ‘আলাইহিম তাইরান আবাবীল। তারমীহিম বিহিজারাতিম মিন ছিজ্জলিন । ফাজা-আলাহুম কা’আছফিম মা’কুল।

বাংলা অর্থ: তুমি কি দেখনি যে, তোমার রব হস্তি অধিপতিদের কিরূপ (পরিণতি) করেছিলেন? তিনি কি তাদের চক্রান্ত ব্যর্থ করে দেননি? তাদের বিরুদ্ধে তিনি ঝাঁকে ঝাঁকে পক্ষীকূল প্রেরণ করেছিলেন – যারা তাদের উপর প্রস্তর কংকর নিক্ষেপ করেছিল। অতঃপর তিনি তাদেরকে ভক্ষিত তৃণ সদৃশ করে দেন।

১২. সূরা ক্বদর

ইন্না আনযালনাহু ফী লাইলাতিল ক্বাদরি। ওয়ামা আদরাকা মা লাইলাতুল ক্বদরি লাইলাতুল ক্বদরি খাইরুম মিন্’আলফি শাহর তানায যালুল মালাইকাতু ওয়ার রুহ। ফিহা বিইযনি রাব্বিহীম মিনকুল্লি আমরিন। সালাম। হিয়া হাত্তা মাত্বলাইল ফাজ্বর।

বাংলা অর্থ: নিঃসন্দেহ আমি এটি অবতারণ করেছি মহিমান্বিত রজনীতে। শবে-কদর (মহিমান্বিত রাত) সমন্ধে আপনি কি জানেন? শবে-কদর হল এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ। এতে প্রত্যেক কাজের জন্যে ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে। এটা নিরাপত্তা, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।

পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়ম ও সূরা pdf

5 Comments
  1. Reply
    তাহাজ্জুদ নামাজের নিয়ম ও নিয়ত, রাকাত ও দোয়া - Amar Sikkha July 9, 2024 at 2:12 PM

    […] যেকোনো নামাজের নিয়ত করা গুরুত্বপূর্ণ নয়‌। এমনকি আপনি […]

  2. Reply
    মহিলাদের নামাজ পড়ার নিয়ম, যেভাবে পড়তে হবে - Amar Sikkha August 21, 2024 at 2:03 PM

    […] রাহীম’ বলে সূরা ফাতিহা পড়তে হবে। সূরা ফাতিহা পাঠের পরে অন্য যেকোন একটি সূরা মিলিয়ে […]

  3. Reply
    পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়ম ও সূরা pdf ডাউনলোড September 30, 2024 at 2:50 PM

    […] পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের নিয়ম ও সূরা pdf […]

Leave a reply

Amar Sikkha
Logo