
প্রিয় শিক্ষার্থীরা তোমাদের জন্য আজকের আয়োজন নেকলেস গল্পের mcq প্রশ্নের উত্তর। চলো প্রথমে নেকলেস গল্পের পাঠ পরিচিতি পড়ে নেই।
বিশ্ববিখ্যাত গল্পকার গী দ্য মোপাসাঁর শ্রেষ্ঠ গল্পগুলোর মধ্যে ‘নেকলেস’ অন্যতম। ফরাসি ভাষায় গল্পটির নাম ‘La Parure’। ১৮৮৪ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি ফরাসি পত্রিকা ‘La Gaulois’-এ গল্পটি প্রকাশিত হয় এবং সে বছরই ইংরেজিতে অনূদিত হয়। একই সঙ্গে প্রকাশিত ‘নেকলেস’ শীর্ষক গল্পগ্রন্থের মধ্যে গল্পটি স্থান পায়। অপ্রত্যাশিত কিন্তু অত্যন্ত আকর্ষণীয়। সমাপ্তির জন্য গল্পটি বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করে।
নেকলেস গল্পের mcq
১। গল্পের নায়কের নাম ——–মসিয়ে/মসিয়ে লোইসেল।
২। গল্পের নায়িকার নাম ——মাতিলদা লোইসেল/মাদাম লোইসেল।
৩। মাদাম লোইসেলের বন্ধবীর নাম ——মাদাম ফোরস্টিয়ার।
৪। ‘সে ছিল চমৎকার এক সুন্দরী তরুণী’। এ বাক্যে ‘সে’ বলতে বুঝানো হয়েছে ——-মাদাম লোইসেলকে।
৫। নিয়তির ভুলেই যেন মাদাম লোইসেলের জন্ম হয়েছে ——-কেরানির পরিবারে।
৬। মাদাম লোইসেলের বিয়ে হয় কার সাথে—— শিক্ষা পরিষদ আপিসের এক কেরানির সঙ্গে।
৭। কীসের অক্ষমতার জন্য সে সাধারণভাবে থাকত——-নিজেকে সজ্জিত করার।
৮। তার শ্রেণীর অন্যতম হিসাবে মাদাম লোইসেল কেমন ছিল ——অসুখী।
৯। কাদের কোনো জাতিবর্ণ নেই ———সাধারণ পরিবারের মেয়েদের।
এক নজরে লালসালু উপন্যাসের প্রশ্ন ও উত্তর
১০। সাধারণ পরিবারের মেয়েরা জন্মের পরে পরিবার থেকে কোনটি সম্পর্কে সজাগ হয়ে ওঠে—— শ্রী, সৌন্দর্য, মাধুর্য।
১১। সাধারণ পরিবারের মেয়েদের আভিজাত্য হলো ——-সহজাত চাতুর্য, প্রকৃতিগত রুচি ও বুদ্ধির নমনীয়তা।
১২। কীসের জন্য জন্ম হয়েছে বলে মাদাম লোইসেলের ধারনা=========-সুরুচিপূর্ণ ও বিলাসিতার বস্তুর জন্য।
১৩। মাদাম লোইসেল কী দেখে ব্যথিত হত- ——— বাসকক্ষের দারিদ্র্য, হতশ্রী দেয়াল, জীর্ণ চেয়ার এবং বিবর্ণ জিনিসপত্র।
১৪। মসিয়ে এবং মাদাম লোইসেলের সাধারণ ঘরটি কে তৈরি করেছিল————একজন খর্বকায় ব্রেটন।
১৫। মাদাম লোইসেল তার কতজন গৃহ-ভৃত্য থাকবে বলে ভাবত——— দুজন।
১৬। তার কল্পনায় রেশমি পর্দা এবং আসবাব কোথায় থাকবে ————বৈঠকখানায়।
১৭। ছোট সুরভিত একটি কক্ষে অন্তরঙ্গ বন্ধুদের সাথে কখন গল্পগুজব করার কথা সে চিন্তা করে———-বিকাল পাঁচটায়।
নেকলেস গল্পের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন উত্তর
১৮। গোল টেবিলে ঢাকা টেবিল ক্লথটি কতদিন ব্যবহৃত হবে——- তিন দিন।
১৯। এই গল্পে উল্লিখিত রোহিত মাছটি কোন রঙের——- গোলাপি রং।
২০। কী খেতে সিংহ-মানবী প্রণয়লীলার কথা শুনবেন ——-মুরগির পাখনা।
২১। “সিংহ-মানবী” বলে কল্পনা করা হয়েছে কাকে ——মাদাম লোইসেলকে।
২২। কোনগুলো মাদাম লোইসেলের প্রিয়—– ফ্রক বা জরোয়া গহনা।
২৩। মাদাম লোইসেলের ধনী বান্ধবীটি কে ছিল ———“কনভেন্ট” এর সহপাঠিনী।
২৪। এক সন্ধ্যায় মসিয়ে লোইসেল কী নিয়ে ঘরে ফিরল ——-একটি বড় খাম।
২৫ । ‘এই যে, তোমার জন্য এক জিনিস এনেছি।’ উক্তিটি ———মসিয়ে লোইসেলের।
২৬। ১৮ই জানুয়ারি সন্ধ্যায় নিজ বাসগৃহে তারা অনিয়ে ও মাদাম লোইসেলের উপস্থিতি কামনা করেন————–জনশিক্ষামন্ত্রী ও মাদাম জর্জ রেমপন্নু।
২৭। মাদাম লোইসেল কোন দৃষ্টিতে স্বামীর দিকে তাকাল———- বিরক্তির।
২৮। পোশাক কেনার জন্য মাদাম লোইসেল তার স্বামীকে কত ফ্রাঁ এর কথা বলেছে ———-চারশত ফ্রাঁ।
২৯। মসিয়ের বন্ধুরা গত রবিবারে ‘ভরতপাখি’ শিকারে কোথায় গিয়েছিল ———–নানতিয়ারের সমভূমিতে।
৩০। মসিয়ের বন্ধুদের সাথে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা————আগামী গ্রীষ্মে।
৩১। মসিয়ে চারশত ফ্রা সঞ্চয় করে রেখেছিল———— ‘বন্দুক’ কেনার জন্য।
৩২। ‘বল’ নাচের দিন যতই এগিয়ে আসতে থাকে মাদাম লোইসেলকে ততই মনে হয় ———বিচলিত ও উদ্ধিগ্ন।
৩৩। কত ফ্রাঁ দিয়ে দুটি কি তিনটি অত্যন্ত চমৎকার গোলাপ ফুল পাওয়া যাবে———– দশ ফ্রাঁ।
৩৪। মাদাম ফোরস্টিয়ারের গোপন কক্ষের দরজাটি কীসের তৈরি ———কাঁচের।
৩৫। ‘ভাই যা ইচ্ছা এখান থেকে নাও’। উক্তিটি ———-মাদাম ফোরস্টিয়ারের।
৩৬। কোনটি মনিমুক্তা খচিত চমৎকার কারুকার্যে ভরা———-সোনার ভিনিশাঁর ক্রুশ।
৩৭। অপরূপ হীরার হারটি ছিল——— কালো স্যানিটের একটি বাক্সে।
৩৮। ‘বল’ নাচের দিন কার জয়জয়কার ছিল ———–মাদাম লোইসেলের।
৩৯। মাদাম লোইসেল ছিল ————সুন্দরী, সুরুচিময়ী, সুদর্শনা, হাস্যময়ী ও আনন্দপূর্ণ।
৪০। মাদাম লোইসেলের সঙ্গে ‘ওয়ালটজ’ নৃত্য করতে ইচ্ছে হচ্ছিল কাদের———– মন্ত্রিসভার সব সদস্যের।
নেকলেস কবিতার mcq
৪১। কে তারদিকে দৃষ্টি দিচ্ছিলেন স্বয়ং——— শিক্ষামন্ত্রী।
৪২। লোইসেল দম্পতি বাড়ি ফিরে গেল ——–ভোর চারটায়।
৪৩। কারা খুব বেশি ফুর্তিতে মত্ত ছিল ———অন্য তিনজন ভদ্রলোকের স্ত্রী।
৪৪। মসিয়ে বিশ্রাম কক্ষে আধঘুমে বসেছিল——— মধ্যরাত্রি পর্যন্ত।
৪৫। ‘বল’ নাচের পোশাকে অপরূপ সৌন্দর্যের সঙ্গে কোনটির দারিদ্র্য সুপরিস্ফুট ছিল——— আর্ট পৌরে সাধারণ চাদরটির।
৪৬। হতাশ হয়ে কাপতে কাপতে তারা হাঁটতে থাকে———- সিন নদীর দিকে।
৪৭। প্যারীতে সন্ধ্যার পর লোকের চোখে পড়ে——- নিশাচর দুই যাত্রীর গাড়ি।
৪৮। পুরাতন গাড়িটি তাদের কোন পর্যন্ত নিয়ে গেল——–মার্টার স্ট্রিটে ঘরের দরজা পর্যন্ত।
৪৯। “আমার-আমার-কাছে মাদাম ফোরস্টিয়ারের হারখানা নেই।” মাদাম লোইসেল উক্তিটি করল উত্তেজিত ভাবে।
৫০। হার খুজঁতে গিয়ে তার স্বামী ফিরে আসল ——— সকাল সাতটায়।
৫১। হারটি খুজঁতে মর্সিয়ে গিয়েছিল———- পুলিসের কাছে ও গাড়ির আপিসে।
৫২। কী ঘোষণা করে মসিয়ে বিজ্ঞাপন দিয়ে এসেছিল ———-পুরস্কার।
৫৩। বয়সে মসিয়ে তার বউ মাদাম লোইসেলের চেয়ে কত বছরের বড়——-পাঁচ বছরের।
৫৪। প্যালেস রয়েলে তার যে হীরার হারটি দেখেছিল তার মূল্য কত ———-চল্লিশ হাজার ফ্রাঁ।
৫৫। প্যালেস রয়েলের হারটি তারা কত ফ্রাঁতে পেতে পারে ————-ছত্রিশ হাজার ফ্রাঁ।
৫৬। হারটা কয় দিন বিক্রি না করার জন্য তারা স্বর্ণকারকে বিশেষ অনুরোধ করে——— তিন দিন।
৫৭। ফেব্রুয়ারি মাস শেষ হওয়ার আগে এই হারটি ফেরত দিলে তারা পাবে- ———-চৌত্রিশ হাজার ফ্রাঁ।
৫৮। লোইসেলের কাছে তার বাবার মৃত্যুর পর ছিল———-আঠারো হাজার ফ্রাঁ।
৫৯। মাদাম লোইসেলের নখের রং ছিল——— গোলাপি।
