
অনেকেই নামাজ শেখার জন্য অথবা সহি শুদ্ধ নামাজ পড়ার জন্য নামাজ শিক্ষা বই খুজে থাকেন। আমরা আপনাদের সময় বাচানোর জন্য এমন একটি বই নিয়ে হাজির হলাম যেখানে নামাজের সহি শুদ্ধ নিয়ম দেওয়া হয়েছে।
শুধু তাই নয় এখানে নামাজের বিভিন্ন বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে। এক কথায় এই বই থেকে নামাজ সম্পর্কে যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন। যদি কোনো বিষয়ে না বুঝেন তাহলে কমেন্ট করে জানাবেন।
নামাজ শিক্ষা বই শুদ্ধ নিয়ম
নামায আদায় করা প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলিম নর-নারীর উপর ফরযে আইন। অর্থাৎ নামায অবশ্যই আদায় করতে হবে। নামায ব্যতিত নিজেকে খাটি মুসলমান বলে দাবী করার কোন সুযোগ ইসলামে নেই। নামায হচেছ ইসলামের ৫ম স্তম্ভের ২য় স্তম্ভ। নামাযকে অস্বীকার করা কুফরী। যে ব্যক্তি নামাযকে ছেড়ে দিল সে কুফরী করল। তাই প্রত্যেক মুসলিমের জন্যে বিশুদ্ধভাবে নামায শিক্ষা করাও ফরয।
কারণ বিশুদ্ধভাবে নামাজ শিক্ষা করা না হলে তা সহীহভাবে আদায়ও করা যায় না। বহু লোক আছেন যারা বিশুদ্ধভাবে নামায আদায় করতে জানেন না বলে নামাযের প্রতি তাদের তেমন কোন আগ্রহও সৃষ্টি হয় না। আবার কেউ কেউ এমন আছেন যে, তারা কিছুদিন নামায আদায় করে পরে আবার ছেড়ে দেন। কারণ নামায আদায় করে তারা প্রকৃত তৃপ্তি পান না। আসলে বিশুদ্ধভাবে নামায আদায়ের এবং নামায সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় মাসাইল জানা না থাকার কারণেই তারা নামাযের আসল স্বাদ পান না।
বর্তমান বাজারে নামায শিক্ষা বিষয়ের উপর বহু বইপত্র রয়েছে, কিন্তু বিশুদ্ধ ও পূর্ণাংগভাবে নামায শিক্ষা বই পত্রের সংখ্যা খুবই কম। বর্তমান বাজারে এমন কিছু কিছু বই আছে, যেগুলোর নাম দেয়া হয়েছে নামায শিক্ষা। অথচ বইয়ের ভিতরে আকাইদ, বিবাহ, তালাক, রোযা, হজ্ব, যাকাত, তাবিজ কবজ, কুরবানী, আকীকা ইত্যাদি অপ্রাংগিক বিষয়াদি লিখে বইয়ের পৃষ্ঠা সংখ্যা বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ফলে সম্মানিত পাঠক পাঠিকাগণ ভাল নামাজ শিক্ষা বই কিনতে গিয়ে হন প্রতারিত।
অজু সম্পর্কে হাদিস
হযরত উসমান (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ওযু করে এবং উত্তমরুপে ওযু করে, তার গুনাহ সমূহ তার শরীর হতে বের হয়ে যায়, এমনকি তার নখের নীচ হতেও বের হয়ে যায় (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)। হযরত আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেনঃ আমি কি তোমাদেরকে বলে দিব না যে, আল্লাহ তায়ালা কিসের দ্বারা মানুষের গুনাহসমূহ মাফ করে দেন এবং মর্যাদাকে বৃদ্ধি করেন? তাঁরা বললেন, হ্যাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন, কষ্ট হওয়া সত্ত্বেও পূর্ণভাবে ওযু করা, মসজিদের দিকে অধিক যাতায়াত করা এবং এক ওয়াক্ত নামায শেষ করার পর অপর ওয়াক্ত নামাযের প্রতীক্ষায় থাকা।
হযরত আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ যখন কোন মুসলমান বা মুমিন বান্দা ওযু করে এবং চেহারা ধৌত করে তখন, তার চেহারা হতে পানির সহিত অথবা পানির শেষ বিন্দুর সহিত সে সমস্ত গুনাহসমূহ বের হয়ে যায়, যার দিকে তার দুই চক্ষু দৃষ্টি করেছিল। যখন সে হাত ধৌত করে তখন পানির সহিত অথবা পানির শেষ বিন্দুর সহিত তার হাত হতে সে সকল গুনাহ বের হয়ে যায়, যা তার দুই হাত সম্পাদন করেছিল। এরুপে যখন সে পা ধৌত করে তখন পা হতে সে সকল গুনাহ বের হয়ে যায় যা সম্পাদন করতে তার পা অগ্রসর হয়েছিল। ফলে সে (ওযুর স্থান হতে) বের হয় সমস্ত গুনাহ হতে মুক্ত হয় (সহীহ মুসলিম)।

