
হলদেটে দাঁত প্রায় সবার মাঝে দেখা যায় দাঁত সাদা করার উপায় জেনে আপনিও সহজেই সাদা করতে পারবেন। আপনি যদি আপনার হলদেটে দাঁত নিয়ে চিন্তিত থাকেন তাহলে এখনি আমাদের এইসব উপকরন দিয়ে দাঁত সাদা করে ফেলুন।
মানুষের অর্ধেক সৌন্দর্য তার দাতে থাকে, বিশেষ করে মেয়েদের প্রকৃত সৌন্দর্য তাদের হাসিতে থাকে এখন যদি দাঁত হলুদ হয়ে যায় তাহলে সৌন্দর্য কোথায় থাকবে। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক কিভাবে দাঁত সাদা করবেন।
দাঁত সাদা করার উপায়
পাতিলেবুর রস
পাতিলেবুর রসে থাকে সাইট্রিক অ্যাসিড। পাতিলেবুর রস আর লবণ একসঙ্গে মিশিয়ে দাঁত মাজলে সহজেই সাদা হয় দাঁত। দাঁত ঘষতে ব্যবহার করতে পারেন পাতিলেবুর খোসাও। এতে দাঁতের হলদে ভাব দূর হয়।
লবণ
শুধু লেবু নয়, লবণও বেশ ভালো কাজ করে দাঁত পরিষ্কার করতে। দাঁত মাজা হয়ে গেলে হাতের আঙুলে অল্প লবণ নিয়ে দাঁতে ঘষে নিন। এতে দাঁতের গোড়া হবে শক্ত ও মজবুত। ফিরবে দাঁতের নিজস্ব রংও।
হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড
হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক হিসেবে বেশ পরিচিত। এ ছাড়া দাঁত সাদা করতেও ব্যবহার করা হয়। এটি দিয়ে গরগরা করলে গলাব্যথা দূর হয়। মাড়ির প্রদাহ দূর করতেও কার্যকর। তবে এটি ব্যবহারে সতর্কতা জরুরি, ব্যবহারের সময় গিলে ফেলা যাবে না।
বেকিং সোডা
দাঁত সাদা করার আরও একটি কার্যকর পদ্ধতি হলো বেকিং সোডার ব্যবহার। টুথপেস্টের সঙ্গে সামান্য বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। তার পর ভালো করে দাঁত মেজে নিন। কয়েক দিন এটা ব্যবহার করলে সুফল পাবেন। দাঁতও চকচকে হবে।
বেকিং সোডা ও হাইড্রোজেন পার–অক্সাইড
১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা
২ টেবিল চামচ হাইড্রোজেন পার–অক্সাইডের ৩ শতাংশ দ্রবণ
মিশ্রণ তৈরির জন্য ১টি গামলা বা বাটি
১টি টুথব্রাশ
মিশ্রণ তৈরি
২ টেবিল চামচ হাইড্রোজেন পার–অক্সাইডের ৩ শতাংশ দ্রবণ একটি গামলা বা বাটিতে নিয়ে তাতে ১ টেবিল চামচ বেকিং সোডা যোগ করুন। এরপর পেস্টের মতো যৌগ তৈরি না হওয়া পর্যন্ত মাখাতে থাকুন। যদি মনে হয়, মিশ্রণটি বেশ পাতলা হয়ে গেছে, তাহলে তাতে আরও বেকিং সোডা যোগ করুন। এভাবে একটি পেস্টের মতো মিশ্রণ তৈরি করুন।
ব্রাশ করুন
পেস্টের মতো মিশ্রণটি টুথব্রাশে লাগিয়ে ব্রাশ করুন। তবে খুব বেশি জোর খাটিয়ে ব্রাশ করবেন না। ধীরে ধীরে কবজি বৃত্তাকার ঘুরিয়ে ব্রাশ করুন। বেকিং সোডা এমনিতেই পরিষ্কারক, তাই জোরে ব্রাশ করার প্রয়োজন হবে না।
কুলকুচি করুন
দুই মিনিট ভালোভাবে দাঁত ব্রাশ করে পর্যাপ্ত পানি দিয়ে কুলকুচি করুন। মুখের ভেতরে যেন পেস্টটি থেকে না যায়। এরপর ভালোভাবে টুথব্রাশটিও ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে কমপক্ষে দু–তিনবার এভাবে ব্রাশ করুন। এতেই উপকার পাবেন। তবে খুব বেশি করতে যাবেন না।
